সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

ভারতে তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনকে পুলিশে নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক :

রতের ছত্তীশগঢ় রাজ্য পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ পেয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গ অর্থাৎ রূপান্তরকামী ব্যক্তিরা। বিশেষ একটি লক্ষ্য সামনে রেখে তাঁদেরকে পুলিশে নিয়োগ দিয়েছে রাজ্য সরকার। আর তা হচ্ছে মাওবাদী যোদ্ধাদের মোকাবিলা করা। চলতি মাসের মাঝামাঝিতে তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনতে পুলিশে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও হিন্দুস্তান টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ছত্তীশগঢ় রাজ্যের বস্তার বিভাগের সাতটি মাও অধ্যুষিত জেলায় মাওবাদীদের মোকাবিলা করার জন্য ‘বস্তার ফাইটার ফোর্স’ নামে একটি নতুন বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এই বাহিনীতে স্থানীয় যুবদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বস্তার পুলিশ বিভাগের সাতটি জেলা থেকে মোট ৬০৮ জনকে এ বাহিনীতে নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যেই আছেন তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জনও। এবার, মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামবেন তারাও। পাহাড়, বন এবং নদী-নালায় ঘুরে ঘুরে সন্ধান করতে হবে মাও ঘাঁটির। তৃতীয় লিঙ্গের নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে আট জনকে কাঙ্কের জেলা ও একজন বস্তার জেলা থেকে নিয়োগ করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম বলছে, ‘বস্তার ফাইটার ফোর্স’ নামে নতুন এই বাহিনীতে নিয়োগ পেতে নির্বাচিত প্রার্থীদের কঠিন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। মাওবাদীদের মোকাবিলা করার জন্য বিশেষ শারীরিক ও মানসিক দক্ষতা প্রয়োজন। আর সেটির ভিত্তিতেই এই বাহিনীর সদস্যদের বেছে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা বস্তার বিভাগের সাতটি জেলা থেকে ৫৩ হাজার ৩৩৬টি আবেদন পেয়েছেন, যার মধ্যে ১৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের, ৩৭ হাজার ৪৯৮ জন পুরুষ এবং ১৫ হাজার ৮২২ জন নারী।