সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

পাকিস্তানি ২৫৫ রুপিতে মিলছে ১ ডলার

অনলাইন ডেস্ক :

মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানের রুপির রেকর্ড দরপতন হয়েছে। এতে করে গত বৃহস্পতিবার ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি মুদ্রার দর দাঁড়িয়েছে ২৫৫ রুপিতে। পাকিস্তানি মুদ্রার দামে এটিই সর্বনিম্ন পতন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে  শুক্রবার (২৭ জানুয়ারী) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ পেতে কার্যত মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান। তাই শর্ত মেনে মুদ্রা বিনিময় হার বা এক্সচেঞ্জ রেট শিথিল করেছে দেশটি। আর এরপরই বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি মুদ্রার দামে ব্যাপক পতন হয় বলে স্থানীয় মিডিয়া রিপোর্ট করেছে। এর আগে গত বুধবার পাকিস্তান সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশটির মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলো ডলার থেকে রুপিতে বিনিময় হারের ওপরে সীমা তুলে নেয়। খোলা বাজারে পাকিস্তানি মুদ্রার দাম কমাতেই পরিকল্পনামাফিক এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এরপর বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি মুদ্রার দামে ২৪ রুপি পতন হয়। এতে করে প্রতি ডলারের বিপরীতে পাকিস্তানি মুদ্রার দাম ২৫৫.৪৩ রুপিতে দাঁড়ায়। অর্থাৎ এক মার্কিন ডলার সমান ২৫৫.৪৩ পাকিস্তানি রুপি। সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি রুপির দাম ২৪ রুপি কমেছে এবং এদিন দুপুর ১ টায় মার্কিন ডলারের বিপরীতে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটির মুদ্রা ২৫৫ রুপিতে বিক্রি হয়েছে। আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পেতে সম্প্রতি আইএমএফের কাছে ঋণ চেয়েছিল পাকিস্তান। তবে আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পাকিস্তান সরকার যেন মুদ্রার দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেয়। এতে করে খোলা বাজারেই ধার্য হবে পাকিস্তানি মুদ্রার মূল্য বা রেট।