Skip to content

Upcoming
France
0-0
Senegal
Source: ESPN

সিলেটে শক্তিশালী চোরাই সিন্ডিকেট বন্ধ হচ্ছে না ভারতীয় চোরাই পণ্য পাচার

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট :

সিলেট সীমান্ত দিয়ে যেমন ভারতীয় চোরাই পণ্যের চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে, তেমনি জেলাব্যাপি চলমান রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দমন ও প্রতিরোধ অভিযান। ঘনঘন অভিযান সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না চোরাচালান। দিন দিন এ সিন্ডিকেট যেন আরো শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

স্থানীয় সূত্রমতে সিলেটের সীমান্তবর্তী জকিগঞ্জ, কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জে রয়েছে চোরাচালানীদের পৃথক পৃথক তথ্যসিন্ডিকেট। এগুলোর মধ্যে চোরাচালানীদের সবচেয়ে শক্তিশালী তথ্যসিন্ডিকেট সিলেটের কানাইঘাট থানা এলাকায়। চোরাচালানীদের এ সব তথ্যসিন্ডিকেট সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কতিপয় নামধারী টুকাই সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের পাতি নেতা, পুলিশের মানিসোর্স ও থানার দালাল । আর এ সব সিন্ডিকেটের তথ্য সরবরাহের কারণেই চোরাচালান বিরোধী অভিযানে কাঙ্খিত ফলাফল পাচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাইতো জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় চোরাই পণ্য স্থল ও জলপথে এসে মাঝেমধ্যে ধরা পড়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতে।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিলেট মেট্রোপলিটন দক্ষিণ সুরমার হুমায়ূন রশিদ চত্ত্বর থেকে ১টি কার্গো ট্রাকসহ কোটি টাকার ভারতীয় পন্য জব্দ করে সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় জাকির হোসেন (৩৩) নামে এক চোরাকারবারীকে আটকও করে।

১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ০২টা ৩৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মহিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স সহ নিজপাট ইউনিয়নের মাঝের বিল এলাকা দিয়ে ভারতীয় চিনি নিয়ে সারিঘাট এলাকায় পৌছালে পুলিশ ২০ বস্তা ভারতীয় চিনি সহ ২জনকে আটক করে। আটককৃতরা হল দরবস্ত গ্রামের জিয়াউল হকের ছেলে শিব্বির (২২) কাজির পাতন গ্রামের হাসান আহমেদ এর ছেলে মাহবুব (২২) কে আটক করে।

অভিযোগ রয়েছে, এ সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় চোরাচারানীরা কানাইঘাট ও জকিগঞ্জের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় পণ্য চোরাইপণ্য আমদানী করে কানাইঘাটের সড়কের বাজার ও বাংলাবাজারে জড়ো করে । পরে গাড়ি বোঝাই করে তা সিলেট নগরসহ অন্যত্র পাচার করে। এই দুই উপজেলা ক্রস করতে চোরাকারবারিরা সাহয্য নেয় তাদের নিয়োজিত তথ্যসিন্ডিকেট এর।

সচেতন মহলের মতে চোরাচালন দমনে সফলতা আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চোরাকারবারীদের তথ্য মিন্ডিকেট সদস্যদের সনাক্ত করে তাদের এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে।

এ ব্যাপারে আলাপকালে সিলেটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চোরাই পন্য আটকসহ সীমান্ত চোরাচালান বন্দে পুলিশ সব সময় সক্রিয় রয়েছে। তাদের এসব অপতৎপরতা বন্ধে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।