Skip to content

Upcoming
Austria
0-0
Jordan
Source: ESPN

মাসসেরার লড়াইয়ে এগিয়ে যারা

অনলাইন ডেস্ক :

ফেব্রুয়ারি মাসটা স্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন ভারতের ওপেনিং ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়াল। ব্যাক টু ব্যাক ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রেকর্ডবুকে নাম তুলেছেন। ইংল্যান্ডের কাছে প্রথম টেস্ট হারের পর ভারত সিরিজ নিশ্চিত করেছে তার নির্ভরযোগ্য ব্যাটিংয়ে। জয়সওয়াল তাই আইসিসির ফেব্রুয়ারি মাসের সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় মনোনয়ন পেয়েছেন। তার সঙ্গে লড়াইয়ে আছেন নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও শ্রীলঙ্কার পাথুম নিসাঙ্কা। জয়সওয়াল দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২১৯ রান করার পর রাজকোটে তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসেও হাঁকান আরেকটি ডাবল সেঞ্চুরি। তার অসাধারণ ব্যাটিংয়েই তার পর সিরিজে লিড নিতে পারে স্বাগতিক দল।

এরই মধ্যে ২০২৩-২৫ চক্রে আইসিসির লিডিং রান স্কোরারও হয়ে গেছেন। ফেব্রুয়ারিতে জয়সওয়াল বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছেন। টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন তিনি। স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান ও বিনোদ কাম্বলির পর তৃতীয় সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে ব্যাক টু ব্যাক ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন। গতমাসে তিনি ১১২ গড়ে রান করেছেন ৫৬০। তাতে ছিল ২০টি ছক্কা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের প্রথম কোনও টেস্ট সিরিজ জয়ে মূল অবদানটা ছিল কেন উইলিয়ামসনের। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথম টেস্টেই করেন দুটি সেঞ্চুরি। তার পর সিরিজ জিততে হ্যামিল্টনে রান তাড়া করতে খেলেন ১৩৩* রানের অপরাজিত ইনিংস। ওই সিরিজে কেনের এক টেস্টে দুটি সেঞ্চুরির নজির এটাই প্রথম।

ফেব্রুয়ারি মাসে শ্রীলঙ্কান ব্যাটার পাথুম নিসাঙ্কাও কোনও অংশে কম ছিলেন না। প্রথম শ্রীলঙ্কান হয়ে ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েছেন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাল্লেকেলেতে ২৫ বছর বয়সী ১৩৯ বলে ২১০* রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন। তার পর দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরিতে শেষ করেছেন সিরিজ। ১০১ বলে খেলেছেন ১১৮ রানের ইনিংস। শ্রীলঙ্কার হয়ে ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্কোরটি ছিল সনাথ জয়াসুরিয়ার।

২০০০ সালে শারজায় ভারতের বিপক্ষে ১৮৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ডাবল সেঞ্চুরিতে নিসাঙ্কা জয়াসুরিয়াকেও পেছনে ফেলেছেন। সেঞ্চুরি পূরণ করার পর ডাবল সেঞ্চুরি পূরণ করতে খেলেছেন ৪৮ বল! যেখানে চার ছিল ২০টি এবং ছক্কা ৮টি। দারুণ ফর্ম টেনে নিয়ে যান টি-টোয়েন্টিতেও। শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিসাঙ্কা ৩০ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলে রিটায়ার্ড হার্ট হলে ম্যাচটি তারা হারে মাত্র ৩ রানে।