Skip to content

LIVE 20'
Argentina
1-0
Algeria
Source: ESPN

এবার গাভাস্কারের পাশে জয়সওয়াল

অনলাইন ডেস্ক :

অফ স্পিনার শোয়েব বাশিরের বল মিডউইকেট দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠালেন ইয়াশাসভি জয়সওয়াল। সেই সঙ্গে সিরিজে সাতশ রানের ঠিকানায় পা রাখলেন ভারতের তরুণ ব্যাটসম্যান। টেস্ট ক্যারিয়ারে স্বপ্নময় পথচলায় বাঁহাতি ওপেনার গড়লেন আরেকটি দারুণ কীর্তি। দ্বিতীয় ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে কোনো একটি টেস্ট সিরিজে সাতশ রানের মাইলফলক ছুঁলেন জয়সওয়াল; এতদিন এই অর্জন ছিল কেবল সুনিল গাভাস্কারের। কিংবদন্তি এই ব্যাটসম্যান দুই দফায় এই কীর্তি গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

১৯৭১ সালে ক্যারিবিয়ান সফরে নিজের অভিষেক সিরিজে ৪ টেস্টের ৮ ইনিংসে ১৫৪.৮ গড়ে তিনি করেছিলেন ৭৭৪ রান। ১৯৭৮-৭৯ মৌসুমে দেশের মাটিতে ৬ টেস্টের ৯ ইনিংসে ৯১.৫ গড়ে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৭৩২ রান। সাতশ ছুঁতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বৃহস্পতিবার ধারামশালায় শুরু সিরিজের শেষ টেস্টে জয়সওয়ালের প্রয়োজন ছিল ৪৫ রান। মাইলফলক ছোঁয়ার পর অবশ্য বেশিক্ষণ টেকেননি তিনি। বাশিরের পরের ওভারে টানা দুই চারের পরের বলে বেরিয়ে এসে খেলার চেষ্টায় স্টাম্পড হন ৫৭ রান করে। সিরিজের ৫ টেস্টে ৯ ইনিংসে ১০১.১৪ গড়ে জয়সওয়ালের রান এখন ৭০৮।

সেঞ্চুরি আছে দুটি, দুটিই ডাবল। এ দিন ৫৭ রানের পথে ক্যারিয়ারে এক হাজার রানের মাইলফলকও স্পর্শ করেন ২২ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান। ৯ টেস্টেই মাইলফলকটি ছুঁলেন তিনি। তার চেয়ে কম টেস্ট খেলে হাজার রান করার কীর্তি আছে কেবল স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের, ৭ টেস্টে। জয়সওয়ালের সমান ৯ টেস্ট লেগেছিল স্যার এভারটন উইকস, হার্বার্ট সাটক্লিফ ও জর্জ হেডলির। ইনিংসের হিসাবে জয়সওয়ালের লাগল ১৬ ইনিংস। ভারতের হয়ে তার চেয়ে কম ইনিংসে হাজার ছুঁতে পারেন কেবল ভিনোদ কাম্বলি, ১৪ ইনিংস। বিশ্ব রেকর্ডটি যৌথভাবে সাটক্লিফ ও এভারটন উইকসের, ১২ ইনিংস।

ব্র্যাডম্যানের লেগেছিল ১৩ ইনিংস। জয়সওয়াল হায়দরাবাদে দলের হারের ম্যাচে ৮০ রানের আগ্রাসী ইনিংসে শুরু করেন এই সিরিজ। পরের দুই টেস্টে বিশাখাপাতœাম ও রাজকোটে ডাবল সেঞ্চুরি করে দলের জয়ে ব্যাট হাতে বড় অবদান রাখেন তিনি। রাজকোটে দলের দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ২১৪ রানের ইনিংসের পথে তিনি ছক্কা মারেন ১২টি। টেস্টের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডে বসেন ওয়াসিম আকরামের পাশে। বিশ্বের সপ্তম ও ভারতের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে গড়েন টানা দুই টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির কীর্তি। রাঁচিতে চতুর্থ টেস্টে ৭৩ ও ৩৭ রানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন তিনি। এবার ধারামশালায় করলেন ফিফটি। এখনও বাকি আরেকটি ইনিংস। রান বাড়ানোর সুযোগ তাই থাকছেই।