সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

হাইতি বন্দর থেকে ইউনিসেফের ত্রাণের কন্টেইনার লুট

অনলাইন ডেস্ক :

জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ শনিবার হাইতির প্রধান বন্দর থেকে তাদের একটি ত্রাণবোঝাই কন্টেইনার লুট হয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে। লুট হওয়া কন্টেইনারে ‘মাতৃত্ব, নবজাতক এবং শিশুদের প্রাণ রক্ষার জন্য জরুরি’ পণ্য ছিল। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ হাইতিতে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিনের। যার সমাধান না হওয়ায় এর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশটির অর্থনীতিতে। খাদ্যাভাব চরমে পৌঁছেছে, দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট। ইউনিসেফ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, দেশটিতে রেকর্ড পরিমাণ মানুষ অনাহারে ভুগছে এবং রাজধানী পোর্ট- ঔ-প্রিন্স এর বিভিন্ন অংশে প্রাণঘাতী অপুষ্টি দেখা দিয়েছে।

দেশটির অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল হেনরি এ সপ্তাহে বলেছেন, একটি অন্তর্র্বতীকালীন কাউন্সিল চালু হলে তিনি পদত্যাগ করবেন। সশস্ত্র বিভিন্ন গ্যাং বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন অংশের নিয়ন্ত্রণ করছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা থেকে বলা হয়, এইসব গ্যাং গণহারে হত্যা, অপহরণ ও ধর্ষণ করছে। ইউনিসেফ জানায়, পোর্ট-ঔ-প্রিন্স বন্দরে তাদের ত্রাণের ১৭টি কন্টেইনার এসেছে। সেগুলো থেকে একটি লুট হয়েছে। ইউনিসেফের হাইতি প্রতিনিধি ব্রুনো মায়েস এক বিবৃতিতে বলেছেন, “শিশুদের জীবন রক্ষার জন্য জরুরি ত্রাণ সরবরাহ লুটপাট অবশ্যই দ্রুত বন্ধ করতে হবে।

“এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে লুটের ঘটনা ঘটছে যখন শিশুদের ওইসব জিনিসের সবচেয়ে বেশি দরকার।” এদিকে,নিরাপত্তা জনিত কারণে রাজধানীর কয়েকটি হাসপাতাল নিজেদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। নগরীতে বর্তমানে মাত্র দুইটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা আছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ। বিদ্যুৎ, জ্বলানি এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে হাইতি জুড়ে কমবেশি সব হাসপাতালই নিজেদের কার্যক্রম ঠিকমত চালাতে পারছে না। ১০টির মধ্যে ছয়টি চিকিৎসাকেন্দ্রই তাই বন্ধ হতে বসেছে বলেও জানিয়েছে ইউনিসেফ।