সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

যুবলীগ নেতাকে মারধরের মামলায় কারাগারে চট্টগ্রামের ওয়ার্ড কাউন্সিলর

মেহেদী হাসান রাকিব নামে যুবলীগের এক নেতাকে মারধরের মামলায় সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সরকার হাসান শাহরিয়ার শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে টিনুকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন- কায়সার হামিদ, সাকিবুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম রাজু, মো. আজম ও মো. শাকিল।

এর আগে মেহেদী হাসান রাকিব ৩ মার্চ চট্টগ্রামের ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে চকবাজার থানায় মামলা করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জেনারেল রেকর্ড অফিস (জিআরও) শাখার পুলিশের পরিদর্শক মো. আবু তাহের জানায়, পাঁচলাইশ থানার এক যুবককে অপহরণ, মারধর ও হত্যার হুমকির মামলায় কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনু আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিরোধের জের ধরে রাকিবকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিতেন আসামিরা। গত ৩ মার্চ রাত ৮টার দিকে দিকে তিনি তার ফার্মেসি ‘একুশে ড্রাগ হাউসে’ কাজ করছিলেন। এসময় তার বন্ধুর মুঠোফোনে কল দিয়ে কাউন্সিলর টিনু তার সঙ্গে কথা বলে এবং তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়।

আধঘণ্টা পর ১০ থেকে ১৫ জন লোক এসে ছুরির ভয় দেখিয়ে তাকে অপহরণ করে এবং তার পকেটে থাকা ১৫ হাজার টাকা নিয়ে নেয়।

পরে মামলার অন্যান্য আসামিরা তাকে জোরপূর্বক কাউন্সিলর কার্যালয়ে নিয়ে যায়, সেখানে তাকে ব্যাপক মারধর করে। এসময় অপহরণ ও মারধরের ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণে মারার হুমকি দেন কাউন্সিলর টিনু।

—–ইউএনবি