সাম্প্রতিক
Skip to content

পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ

সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। ফাইল ছবি

সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নেতৃত্বাধীন সূচনা ফাউন্ডেশন এবং বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি ও করসংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এ আদেশ দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত আদেশটি দেন। দুদকের আইনজীবী মীর আহম্মেদ আলী সালাম জানান, বুধবার কমিশনের দুই কর্মকর্তা পৃথক আবেদন করেন। বৃহস্পতিবার আদালত সেগুলোর ওপর আদেশ দিয়েছেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ২০১৫-১৬ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত ফাউন্ডেশনটি ৯৯ লাখ ৪ হাজার টাকা কর জমা না দিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কর জমার নথি তৈরি করেছে। এসব নথির ভিত্তিতে অডিট প্রতিবেদনে আয়কর খরচ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, সূচনা ফাউন্ডেশনের নামে পরিচালিত ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ৫৩১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জমা এবং ৪৬৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসব অস্বাভাবিক লেনদেনের ঘটনায় দুদক মামলা করেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার সময় থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব রেকর্ড জব্দের আবেদন করা হয়।

এর আগে ২০২৫ সালের ৪ মার্চ সূচনা ফাউন্ডেশনের ১৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।

অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক খায়রুল হাসান।

আবেদনে বলা হয়, শম্ভুর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা করেছে দুদক। মামলার তদন্তে তার আয়-ব্যয়ের হিসাবের সত্যতা যাচাই এবং তার মালিকানায় অন্য কোনো সম্পদ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ কারণে তার আয়কর নথি জব্দ করে পর্যালোচনার আবেদন জানানো হয়।

এনএনবাংলা/