সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

কর্মীকে অপরহরণ, লিবিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকে কাজ বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক :

লিবিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংকের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের প্রধানকে অপহরণ করেছে এক অজ্ঞাত গোষ্ঠী। এর জেরে ব্যাংকটির কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, লিবিয়ায় একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। গত সপ্তাহেও এমন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তারই মধ্যে রোববার সকালে সেন্ট্রাল ব্যাংকের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান মুসাব মসাল্লেমকে অপহরণ করা হয়। ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছে, কারা অপহরণ করেছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে যে গোষ্ঠী এ কাজ করেছে, তারা ব্যাংকের অন্য কর্মীদেরও অপহরণের হুমকি দিয়েছে।

এরই প্রতিবাদে ব্যাংকের সমস্ত কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। ব্যাংকের তরফে জানানো হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত মসাল্লেম মুক্তি পাচ্ছএন, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা কর্মবিরতি জারি রাখবেন। বস্তুত, তাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করারও দাবি করেছেন ব্যাংক কর্মীরা। অপহরণ নিয়ে অবশ্য এখনো পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। সরকারের তরফেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

গত সপ্তাহে বন্দুকধারীরা এই ব্যাংকের ভিতরেই ঢুকে পড়ে। তাদের দাবি ছিল, সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। এই ঘটনার নিন্দা করেছিলেন অ্যামেরিকার রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেছিলেন, গভর্নর পদত্যাগ করলে অ্যামেরিকা আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে লিবিয়ার অর্থনীতির যোগ ছিন্ন করে দেবে। লিবিয়ায় এখন কার্যত দুইটি সরকার চলছে।

একদিকে রাজধানী ত্রিপোলিতে শাসন করছে জাতিসংঘের সাহায্যপুষ্ট সরকার। অন্যদিকে দেশের সেনা বাহিনীর প্রধানের নেতৃত্বে পূর্ব লিবিয়ায় শাসন চালাচ্ছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী। সাম্প্রতিক ঘটনায় তাদের হাত থাকতে বলে পশ্চিমা দেশগুলি মনে করছে।