Skip to content

রংপুরে বাঁধ নির্মাণের দাবিতে জাল, লাঙ্গল জোয়াল, মই, স্পেমেশিনসহ পাউবো অফিসের সামনে কৃষকদের অবস্থান

রংপুর ব্যুরো : জাল, লাঙ্গল জোয়াল, মই, স্পেমেশিনসহ বিভিন্ন জীবিকা নির্বাহ মাধ্যম নিয়ে স্পার বাঁধ নির্মানের মাধ্যমে তিস্তা নদীর ভাঙ্গণ থেকে রক্ষার দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুস্থ উত্তরাঞ্চল কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগিরা।

মঙ্গলবার ( ১১ মার্চ) বেলা ১২ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন তিস্তাপাড়ের কয়েক ভাঙ্গন কবলিত কৃষক, জেলেসহ্য অন্যান্যার। এসময় জাল, কোদাল, ম্প্রে মেশিন, লাঙ্গলসহ বিভিন্ন জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম নিয়ে অবস্থানে অংশ নেন তারা ।

অবস্থানে অংশ নেয়া লালমনিরহাটের কালিগঞ্জের বৈরাতির মজিবর রহমান জানান, ‘ আমি একেবারেই নি:শ্ব হয়া গেচি। এ বছর আমার ৭ দোন মাটি রোয়াবারি একেবারেই শ্যাষ হয় গেইচে। পরে মাইনষের বাড়ির কামলা দিতে গেচি। অবস্থা খুব খারাপ। রমজান মাসতও ভাত পাইচি না। এখন বাঁধ টা দিলে হামারগুলোর রক্ষা হইল হয়।’

অংশ নেয়া রংপুরের গঙ্গাচড়ার শহিদুল ইসলাম  জানান, ‘ বাঁধ যদি না হয়, তাহলে হামারগুলার অবস্থা খুব খারাপ হয়া যাইবে। চৈত্রি মাস যদিল পানি ঢোকে সবই নিয়া যাইবে তিস্তা। একেবারে কান্ডাত এখন হামার বাড়ি। বাঁধটা দেওয়ার ব্যবস্থা করি দাও।’

রংপুরের গঙ্গাচড়ার শহিদুলের বাড়ি থেকে লালমনিরহাটের বৈরাকি পর্যন্ত এলাকায় ব্যাপক ভাঙ্গন থাকে সব সময়। সেকোরণে পানি সম্পদ উপদেস্টার কাছে তারা স্পার বাঁধা নির্মানের দাবি জানান। পরে পানি সম্পদ উপদেস্টার কাছে পাউবোর প্রধান প্রকৌশলীর মাধ্যমে স্মারকলিপি দেন তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, তিস্তা মাহপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কার্যক্রম যদি দীর্ঘ সূত্রিতায় পরে তাহলে ওই এলাকায় বাঁধ নির্মানের জন্য প্রকল্প বরাদ্দ চাওযা হবে। পানি সম্পদ উপদেস্টার কাছে অবস্থান ধর্মঘটকারীদের স্মারকলিপি আমি সাথে সাথে পৌঁছে দিয়েছি।

প্রসঙ্গত: তিস্তা নদীর সমন্বিত খনন ও পূনরদ্ধার কার্যক্রম তিস্তা মহা পরিকল্পনা নিয়ে রংপুরের ৪ জেলায় পাওয়ার চায়না গণ শুনানী করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড গণ শুনানী কার্যক্রম পরিচালনা করছে।##