সাম্প্রতিক
বাংলাদেশে জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বছরে ২ হাজার ৭০ কোটি ডলারের ক্ষতি বারিধারায় নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু: ১৭ বছরের সেই কিশোর পেল জামিন ইরানের গোপন নেটওয়ার্কে ৫ হাজারের বেশি সংস্থা, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে আসছে সামরিক সরঞ্জাম ব্যাটারিচালিত রিকশা নিবন্ধনে নতুন ফি নির্ধারণ, চার্জ দিতেও মানতে হবে নিয়ম এইচএসসির ফল প্রকাশ শনিবার, যেভাবে জানা যাবে রেজাল্ট পুতুলের সূচনা ফাউন্ডেশনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ তাহসিফের সঙ্গেই মধ্যরাত পর্যন্ত ছিলেন দ্বীপ, রাতের খাবারও একসঙ্গে খেয়েছেন ভোটে অমীমাংসিত ফলাফল: ইসরায়েলের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে নেতানিয়াহু ধীরগতির ইন্টারনেটে বাধাগ্রস্ত ডিজিটাল লেনদেন, ক্ষতিগ্রস্ত ই-কমার্স বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন বিজয়ী
Skip to content

৬৫ হিসাবে ৭২২ কোটি টাকা লেনদেন, স্ত্রীসহ আসামি হাছান মাহমুদ

 

৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৭২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ এবং তার স্ত্রী নুরান ফাতেমার বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (৬ এপ্রিল) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আবদুল মোমেন বলেন, মামলায় হাছান মাহমুদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৩১৮ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ ছাড়া তার নিজ, যৌথ ও প্রতিষ্ঠানের নামের ৯টি ব্যাংক হিসাবে ৩৯ কোটি ৭৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫৬৭ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করার কথাও জানান দুদক চেয়ারম্যান।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক কমলেশ মন্ডল বাদী হয়ে এ মামলাটি করেছেন।

অপর মামলায় হাছান মাহমুদের স্ত্রী নুরান ফাতেমার বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার ৯০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি তার নিজ, যৌথ ও প্রতিষ্ঠানের নামে ৫৬টি ব্যাংক হিসাবে ৬৮৩ কোটি ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৪ টাকার সন্দেজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

স্ত্রীর অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অস্বাভাবিক লেনদেনে অপসহায়তার অভিযোগে এ মামলায় হাছান মাহমুদকেও আসামি করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক আল আমিন বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন- ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) ও (৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন- ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।