সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

কর্মস্থলে ‘তুই-তুমি’ সম্বোধন বন্ধের সুপারিশ কমিশনের

ছবি : প্রতীকী

নিজস্ব প্রতিবেদক

কর্মস্থলে ‘তুই-তুমি’ সম্বোধন বন্ধের সুপারিশ করেছে শ্রম সংস্কার কমিশন। সোমবার (২১ এপ্রিল) কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেয়।

প্রতিবেদনে কর্মক্ষেত্রে অপমানজনক সম্বোধন বন্ধে ‘তুই-তুমি’র ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ‘মহিলা’ শব্দের পরিবর্তে ‘নারী’ শব্দ ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে ভাষা আরও মর্যাদাবান ও সমানুভব সম্পন্ন হয়।

কমিশন নারী, পুরুষ, তৃতীয় লিঙ্গসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করাকে প্রাধান্য দিয়েছে। পাহাড়ি ও সমতলের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ সব জনগোষ্ঠীর শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে যৌন হয়রানি প্রতিরোধের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নীতিমালা প্রণয়ন, অভিযোগ সেল গঠন এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ছাড়া মাতৃত্বকালীন ছুটিকে পূর্ণ বেতনে ছয় মাসে উন্নীত করা এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের নারীদের জন্য বিশেষ সহায়তা স্কিম চালুর সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশে শিশু ও জবরদস্তিমূলক শ্রম বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। যাতে করে আগাম দাদনসহ সবরকম বাধ্যতামূলক শ্রমিক নিয়োগের পথ বন্ধ হয়। সামগ্রিকভাবে সব শ্রমিকের জন্য সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বৃদ্ধি এবং কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনা, অক্ষমতা, অসুস্থতা বা অবসরকালীন সময়ে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আইএলও-র জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অনুসরণ করার কথাও কমিশন উল্লেখ করেছে।

সবশেষে, শ্রম আদালত ও আপিল ট্রাইব্যুনাল থেকে শুরু করে হাইকোর্ট পর্যন্ত সব স্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার চালু করার সুপারিশ করেছে শ্রম সংস্কার কমিশন।