সাম্প্রতিক
যুক্তরাজ্যের এইচপিআই ভিসা তালিকা প্রকাশ, নেই বাংলাদেশসহ ভারত-পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক খেলাপি সিটি গ্রুপ পাচ্ছে ১,৭০০ কোটি টাকার নতুন ঋণ পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি সাভার-আশুলিয়ায় দুই শতাধিক পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা রিজার্ভ থেকে আরও ১০ কোটি ডলার বিক্রি করল বাংলাদেশ ব্যাংক শ্রমিকদের ব্যবহার করে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গু ও হামে ২৪ ঘণ্টায় ৬ জন করে ১২ মৃত্যু নারী ক্রিকেটারদের যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে বিসিবি মজুরি বোর্ড নিরপেক্ষভাবে যৌক্তিক ও ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করবে: মাহদী আমিন
Skip to content

সাংবাদিকদের বেতন কমপক্ষে ৩০ হাজার হওয়া উচিত: প্রেস সচিব

 

সাংবাদিকদের ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার নিচে হওয়া উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘যদি এই বেতন দিতে না পারেন, তাহলে পত্রিকা বন্ধ করে দিন।’

সোমবার (১২ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাংবাদিকদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলাপ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সংবাদপত্র মালিকদের সঙ্গে কথা বলার দায়িত্ব সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর। কিন্তু বাস্তবে তারা গত ১৫ বছর ধরে পূর্বাচলে প্লট পাওয়ার দৌড়ে ব্যস্ত ছিল। সাংবাদিকদের স্বার্থে তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখেনি, বরং ভয়াবহভাবে ঠকিয়েছে।’

ডিএফপির (তথ্য অধিদপ্তর) বিরুদ্ধে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক অনিয়ম চলছে। কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা অন্যদের সংবাদ কপি করে ছাপায়, যা কখনো ভালো সাংবাদিকতা হতে পারে না।’

সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য উপযুক্ত বেতন নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ হাজার টাকার নিচে বেতন হলে একজন সাংবাদিক টিকে থাকতে পারেন না। এটা শুধু আর্থিক ব্যাপার নয়, পেশার মর্যাদার সঙ্গেও সম্পর্কিত।’

অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে— ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের হিসাবে এই সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। তারা ক্ষমতায় থাকতে যাকে খুশি তাকে জঙ্গি বলে দমন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ হওয়াকে দেশের মানুষ ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছে। যদিও কেউ কেউ দ্বিমত পোষণ করতে পারে, তবে সেটি বড় কোনো ইস্যু নয়।’

অনুষ্ঠানে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেলসহ সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।