সাম্প্রতিক
বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইইউ: মাইকেল মিলার আখতারুজ্জামানের জামিন মেলেনি, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩, প্রতিদিন গড়ে ১৪ জন ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে বেশি দিন বাঁচেন বাংলাদেশিরা: ডব্লিউএইচও ‘শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে আদালতের পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছাও প্রয়োজন’ এখনই বন্ধ হচ্ছে না পদ্মা ব্যাংক দেশে ৩৯৩৮ ভবন ঝুঁকিপূর্ণ, অতি ঝুঁকিতে ৬২২টি ‘৭ শর্ত মানলেই খুলবে হরমুজ’, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সাফ বার্তা এবার অটোগ্যাসের দামও বাড়াল বিইআরসি
Skip to content

আমার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর হলে কারও বাড়িই নিরাপদ নয়: কাদের সিদ্দিকী

 

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের টাঙ্গাইল শহরের বাসায় গতকাল রাত ২টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

হামলাকারীরা বাসার নিচ ও দ্বিতীয় তলার সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে হামলা চালায়। ভবনে থাকা দুটি গাড়িসহ কয়েকটি জানালার কাঁচও ভেঙে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় টাঙ্গাইল সদরের আকুর টাকুর পাড়ায় তার বাসভবনে বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

তিনি বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। এ ষড়যন্ত্রে এই সরকার ভিড়ছে কি-না; তা আমি বলতে পারব না। তবে আমার মত সর্বোচ্চ খেতাবধারীর ব্যক্তির বাড়িতে যদি হামলা ভাঙচুর হয়। তাহলে তো কারও বাড়িই নিরাপদ নয়।

গতকাল রাতে কাদের সিদ্দিকীর টাঙ্গাইলের বাসায় একদল দুর্বৃত্ত হামলা ও ভাঙচুর চালায়।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, আমার বাড়ি ভেঙেছে, আরও ভাঙুক। বঙ্গবন্ধুর ৩২ নম্বর বাড়িতে যখন গিয়েছিলাম, তখন আমার গাড়ি ভেঙেছিল। আরও ভেঙে যদি দেশে শান্তি স্থাপন হয়, দেশের কল্যাণ হয়, আমি সবসময়ই রাজি আছি।

এর আগে আজ সকালে বাসার কেয়ারটেকার রাজু মিয়া জানান, রাতে স্যার (কাদের সিদ্দিকী) তৃতীয় তলায় ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত বাসায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। একপর্যায়ে তারা মই দিয়ে বাসার গেট টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। নিচে থাকা দুই গাড়ি ভাঙচুর করে। বাসার কয়েকটি জানালার কাচ ঢিল মেরে ভেঙে ফেলে তারা। এ সময় আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।

এদিকে বাসাইলে শহীদ মিনারে কাদেরিয়া বাহিনীর আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ডাকা হয়। ছাত্রসমাবেশের ব্যানারে একই স্থানে একই সময়ে সমাবেশ আহ্বান করা হয়। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে দেখা দেয় উত্তেজনা। অনভিপ্রেত ঘটনা এড়াতে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। শহীদ মিনার ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এনএনবাংলা/