সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

অন্যদের খেলার দাবার বোর্ড হতে চাই না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ অন্য কোনো দেশের ভূরাজনৈতিক খেলায় ব্যবহৃত হতে চায় না বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ এখন এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে মাথা উঁচু করে বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় এবং নিজেদের শর্তেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূমিকা রাখতে চায়।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত পঞ্চম বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ শীর্ষক এক অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘আমরা অন্য খেলোয়াড়দের খেলার জন্য দাবার বোর্ড হতে চাই না। আমরা আমাদের নিজেদের শর্তে খেলতে চাই।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশ মাথা উঁচু রেখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব করতে প্রস্তুত।

তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রে জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্বে বাংলাদেশ প্রস্তুত উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা মাথা উঁচু রেখে বাকি বিশ্বের সঙ্গে আলোচনা, সহযোগিতা এবং অংশীদারত্ব করতে প্রস্তুত। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো জনগণের স্বার্থ।”

জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশও দুটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। এর একটি ছিল অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট এবং অন্যটি ছিল উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাস ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির বিষয়।

জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নতুন উৎস ও নতুন ক্ষেত্র থেকে জ্বালানি সংগ্রহের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দেশের নিজস্ব গ্যাস ও এলএনজি উৎস অনুসন্ধানের পাশাপাশি সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হলেও মানবিক বিবেচনায় বাংলাদেশ সবসময় সহযোগিতাপূর্ণ ও সংবেদনশীল অবস্থান বজায় রেখেছে।

এনএনবাংলা/এফএস