সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০

আজ নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের হাতে আটক হয় অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর জাতীয় সভাপতি নেহা বোরা। ছবি: রয়টার্স

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ৭০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিক্ষোভ ঠেকাতে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১৬৩ ধারা জারি করে দিল্লি পুলিশ। এর আওতায় পূর্বানুমতি ছাড়া পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, মিছিল, বিক্ষোভ, পিকেটিং ও ধর্না নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্লোগান ও জনসমক্ষে বক্তৃতার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং বহু ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এতে এআইএসএ, এসএফআই ও এনএসইউআইসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পুলিশ জানায়, বিক্ষোভের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। সকাল ১১টার দিকে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে অশোকা রোডের একটি গোলচত্বরে প্রায় ৭০০ এসএফআই সদস্যকে আটকে দেওয়া হয়। পরে তাদের অনেককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এএপি নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, সঞ্জীব ঝা ও আতিশিও রয়েছেন। এ ছাড়া এএপি রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংকেও বিক্ষোভস্থলের দিকে যেতে বাধা দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ ঘিরে যন্তর মন্তর ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, ব্যারিকেড স্থাপন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড পার হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের কারণে মধ্য দিল্লির কয়েকটি মেট্রো স্টেশনে সাময়িকভাবে যাত্রীদের প্রবেশ ও বের হওয়াও বন্ধ রাখা হয়।

সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস

এনএনবাংলা/