সাম্প্রতিক
নিউ গিনি প্রপার্টিজে হামলা: সাবেক মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন গ্রেপ্তার মিরপুরে হামলা-অগ্নিসংযোগের কাজ ‘ফ্যাসিজমের দোসরদের’: ডিএনসিসি প্রশাসক আপস মীমাংসায় প্রথম স্ত্রীর জামিন, গাজী নজরুলের জামিনেও বাদীর আপত্তি নেই কানাডা থেকে ৮ মাসে ৩৪০ বাংলাদেশি বহিষ্কার, প্রক্রিয়ায় আরও ১,৩৬৮ জাতিসংঘে জাইমার নিয়োগে সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: মাহদী আমিন অক্টোবরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা: এমপি মিষ্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব এলাকায় ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না এলপিজিতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে ব্যবস্থা, ডিসিদের নির্দেশ গরম বাড়তেই আবারও বেড়েছে লোডশেডিং
Skip to content

৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন

ফাইল ছবি

ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট উন্নয়ন প্রকল্পের লাইন-১ ও লাইন-৫-এর ভূগর্ভস্থ ও উড়ালপথ, স্টেশন, ডিপো, ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক ও সংকেত ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আটটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর মধ্যে লাইন-১ প্রকল্পের সিপি-২, সিপি-৬, সিপি-৯ ও সিপি-১০ এবং লাইন-৫-এর সিপি-৩ প্যাকেজের পূর্ত কাজের ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের পাশাপাশি লাইন-১-এর সিপি-৪ ও সিপি-৭ এবং লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজের ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-১-এর সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। ওয়ার্কশপ, স্টাবিলিং শেড, অপারেশন ও কারিগরি ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে ব্যয় হবে ভ্যাট ও করসহ ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫৮ টাকা। এ কাজের জন্য সিনোহাইড্রো ও এসইবিসিএলের যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

লাইন-৫-এর সিপি-৩ প্যাকেজে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার এবং নতুন বাজারের পর থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়ালপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি পাঁচটি উড়াল স্টেশন নির্মাণে ব্যয় হবে ভ্যাট ও করসহ ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৬০ টাকা। এ কাজের জন্য চীনের সিআরইসি, এমআইএল ও এমবিইএলের যৌথ উদ্যোগকে সুপারিশ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, লাইন-১-এর সিপি-৬ প্যাকেজে নাড্ডা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথ নির্মাণ করা হবে। এতে দুটি টানেল ও তিনটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এ প্যাকেজে ব্যয় হবে ভ্যাট ও করসহ ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ ৭ হাজার ২৯৯ টাকা। জাপানের নিশিমাতসু, টিপিএল ও টোডার যৌথ উদ্যোগকে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে।

সিপি-৯ প্যাকেজে ট্র্যাক ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নির্মাণে ব্যয় হবে ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৭ লাখ ৭২ হাজার ১৫০ টাকা। আর সিপি-১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্মের দরজা ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা স্থাপনে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩১ হাজার ৭১৬ টাকা।

এ ছাড়া লাইন-১-এর সিপি-৪ প্যাকেজে রামপুরা থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে মূল চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি ২৫ লাখ ৮৯ হাজার ৬৫৬ টাকা। সিপি-৭ প্যাকেজে ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার প্রধান লাইন ও স্টেশন নির্মাণে চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ ৪৩ হাজার ২৪১ টাকা। লাইন-৫ উত্তর রুটের সিপি-২ প্যাকেজে ডিপোর পূর্ত ও ভবন নির্মাণে চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ ৪২ হাজার ৬৫৮ টাকা।

জানা গেছে, লাইন-১ ও লাইন-৫—দুই প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রকল্প গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। প্রকল্প দুটির মেয়াদ ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০৩৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) যৌথভাবে এতে অর্থায়ন করছে।

এনএনবাংলা/