সাম্প্রতিক
তেল-চিনি ও ডিমের বাড়তি দামে নাজেহাল ক্রেতা শাহজালালের বিমানবন্দরের ইডিকে হুমকি: জামায়াতের আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, আটক ৭০০ ১০ কোটি ব্যারেল তেল-ডিজেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত জি-৭ দেশগুলোর অনলাইন ও ডিজিটাল সাংবাদিকতার ‘পথিকৃৎ’ হারালাম, তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদের উৎস কী, ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন হাসনাতের অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে রপ্তানি বেড়েছে ৬ শতাংশের বেশি ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেল ২৫০ জনের মধ্যপ্রাচ্যের পথে নতুন রণতরী, ১০ হাজার মার্কিন সেনা: ইরান যুদ্ধ কি আরও তীব্র হচ্ছে? অক্টোবরে বৃষ্টি কমবে, কমবে তাপমাত্রাও; তবে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
Skip to content

এখনই বন্ধ হচ্ছে না পদ্মা ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটে থাকা পদ্মা ব্যাংক পিএলসি (সাবেক ফার্মার্স ব্যাংক) আপাতত বন্ধ বা অবসায়ন করা হচ্ছে না। তবে সরকারি উদ্যোগে ব্যাংকটির পরিচালনায় পরিবর্তন আসছে। একই সঙ্গে আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান শওকত আলী খান।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর বেইলি রোডে সোনালী ব্যাংকের বাংলা কিউআর প্রচারণা কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

শওকত আলী খান বলেন, পদ্মা ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। ব্যাংকটির বিষয়ে সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি সুপারিশও দেওয়া হয়েছে। তবে পদ্মা ব্যাংকের গ্রাহকদের আমানত নিয়ে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

তিনি আরও জানান, সোনালী ব্যাংক এ পর্যন্ত সারাদেশে ৩ লাখ ১০ হাজার মার্চেন্টকে বাংলা কিউআর সুবিধার আওতায় এনেছে। সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকেরা তাদের ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে বাংলা কিউআরে লেনদেন করতে পারবেন।

পদ্মা ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে পদ্মা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ব্যাংকটির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হলেও সংকট কাটিয়ে ব্যাংকটিকে সক্রিয় করার কোনো কার্যকর সমাধান বের হয়নি।

এর আগে ব্যাংকটির নাজুক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অবসায়নের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি মাসেই বিষয়টি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপনের কথা ছিল। অনুমোদন হলে ব্যাংকিং রেজল্যুশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যাংক বন্ধের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা ছিল।

প্রায় ১০ বছর ধরে তারল্য সংকটসহ নানা সমস্যায় থাকা পদ্মা ব্যাংককে সংকট থেকে উদ্ধারে সাত বছর আগে নাম পরিবর্তন করে পদ্মা ব্যাংক করা হয়। তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সেখানে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা নতুন করে বিনিয়োগ করে। তবে পরবর্তী সময়ে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে ওই অর্থের বড় অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বর্তমানে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৯০ শতাংশের বেশি বলে জানা গেছে।

ব্যাংকটির অবসায়নের সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো ব্যাংক বন্ধ হওয়ার ঘটনা ঘটত। বিধান অনুযায়ী, ব্যাংকটি অবসায়ন হলে ক্ষতিগ্রস্ত একজন আমানতকারী বীমা আইনের আওতায় সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ পেতেন। তবে সর্বশেষ পরিস্থিতিতে আপাতত পদ্মা ব্যাংক বন্ধ হচ্ছে না এবং সরকারি উদ্যোগে এর পরিচালনায় পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে।

এনএনবাংলা/