Skip to content

LIVE 7'
Croatia
0-0
Ghana
Source: ESPN

গঙ্গাচড়ায় ঘূর্ণিঝড়ে দু-ইউনিয়নের ঘরবাড়ি, গাছপালাসহ বিদ্যুত ও ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি:

রোববার সকালে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা, ধানক্ষেত ও বিদ্যুতের খুঁটিসহ তারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় তান্ডবে ঘরবাড়ি ভেঙে চুরে যায়। ভেঙে পড়ে যায় গাছপালা। বিদ্যুতের খুঁটি ও তারে গাছপালা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুত খুঁটি ও তারের ক্ষতি হয়ে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে বিদ্যুত সংযোগ। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়া পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে রয়েছে। মাত্র কয়েক মিনিটের এ ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপজেলার আলমবিদিতর ও নোহালী এ দু-ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫ শতাধিক ঘরবাড়ির। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজ করছে। এছাড়া বিদ্যুতের লোকজন কাজ করছে। আলমবিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আবতাবুজ্জামান চয়ন জানান, ইউনিয়নের কুতুব গনেষ, কতুব হাজীপাড়া, কিসামাত কুতুব গ্রামের শতাধিক ঘরবাড়ী, গাছপালা মাত্র কয়েক মিনিটের স্থায়ী ঝড়ে ভেঙেচুরে যায়। অনেক আবাদী জমির ফসলও নষ্ট হয়েছে। গাছপালা ভেঙে পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে যায় ও গবাদিপশু ঘরের মধ্যে আটকা পড়ে। উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস সহযোগিতা করছে। ইউপি সদস্য রেজাউল বলেন, সকালের ঝড়ে ইউনিয়নের খামার মোহনা, কুতুব পাড়া, কুতুব গণেশসহ বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ২’শ পরিবারের বাড়িঘর ও গাছপালা ভেঙ্গে যায়। ঘর চাপা পড়ে এক কৃষকের দুইটি গরু মারা যায়। এছাড়া অনেকে আহত হয়েছে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় এসব এলাকা বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নোহালী ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ আলী জানান, সকালে বৃষ্টিসহ প্রচণ্ড বেগে ঝড় বয়ে যায়। এতে ইউনিয়নের বাগডোহরা, বৈরাতি, পূর্ব কচুয়া, পশ্চিম কচুয়া, নোহালী, চর নোহালীসহ বিভিন্ন গ্রামের প্রায় ৩’শ পরিবারের বাড়ি-ঘর লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ভেঙে পড়ে বিভিন্ন গাছপালা। ধান ক্ষেত মাটিতে শুইয়ে পড়ে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজিবুল করিম জানান, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় জরুরী খাদ্য সহায়তা হিসেবে শুকনো খাবার প্রদান করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, উপজেলার কিছু এলাকায় ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থদের জরুরী খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।