



ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের ভূষণা-লক্ষণদিয়া বাজার থেকে পূর্ব-দক্ষিণে সরদার পাড়া হয়ে আলী আহম্মদ প্রফেসরের বাড়ী হতে কামালদিয়া ইউনিয়নের মিরের কাপাসহাটিয়াা গ্রামের মীর নাজমুল মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত সংযোগ সড়ক ৫০০ মিটার কাঁচা রাস্তাটি দীর্ঘ বছর ধরে বেহাল দশা।
এই রাস্তর দুই পাশেই দুটি ইউনিয়নের পাকা রাস্তা থাকলেও মাঝখানে ৫০০ মিটার কাঁচা রাস্তা কয়েক বছর ধরে অবহেলায় পড়ে আছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদ পদে নির্বাচন আসে যায় কিন্ত প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়ন হয়নি।
এই রাস্তাটি দিয়ে স্কুল, মাদ্রাসা এবং কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী, হাট বাজারগামী জনগণ এবং কৃষিকাজের ফসল পরিবহন ও কৃষি পরিবহন চলাচলে এই রাস্তাটি অযোগ্য হয়ে পড়েছে। একটু বৃষ্টি হলেই এ মাটির কাঁচা রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করা যায় না, পোহাতে হয় দুর্ভোগ।
এর আশেপাশে নওপাড়া ইউনিয়নের ভুষণা, লক্ষণদিয়া, সমসকান্দি, কোটবাড়ী, কেল্লা বাড়ী, গোপালপুর, উথলী, আমডাংগা, দরিবাজার, কামালদিয়া ইউনিয়নের মীরের কাপাষহাটিয়া, ঘোড়াখালি, পিলখানা, মাকড়াইল, কালপোহা নিখরিয়া গ্রামের মানুষের যাতায়াত।
নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম টিপু বলেন, রাস্তাটির গুরুত্ব অনুধাবন করে চলতি বছর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন হলেই কাজটি বাস্তায়ন হবে বলে আশা করছি।
মধুখালী উপজেলা প্রকৌশলী মো. সোহেল রানা বলেন, এ রাস্তাটি এলজিডির আইডি নম্বরভুক্ত থাকলে অবশ্যই আগামী অর্থ বছর রাস্তাটি কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে আশা করছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওশনা জাহান বলেন, এ রাস্তার বিষয়ে আমার জানা নাই। তবে আমি আজ জানলাম, রাস্তাটি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজন হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয় জনসাধারণ চলতি অর্থ বছরেই এই রাস্তাটি পাকাকরণের জোড় দাবী জানিয়েছেন।
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন