একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন

প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে একাত্তর টেলিভিশনের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল ও চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শফিক আহমেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে আগামী ১৩ আগস্ট আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার গত ২৮ জুন এ সমন জারি করেন।
মামলার বাদী একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের সাবেক কো-অর্ডিনেটর বাবুল আক্তার। তিনি চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—একাত্তর টেলিভিশনের মানবসম্পদ বিভাগের এজিএম অসীম কুমার এবং হিসাব বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সুমন ভৌমিক।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ১ মে একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে যোগ দেন বাবুল আক্তার। তবে কোনো নোটিশ ছাড়াই গত ১২ মে তার বায়োমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও অফিসিয়াল মোবাইল সিম বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এরপর ১২ জুন আইনজীবীর মাধ্যমে একাত্তর টেলিভিশন কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠান বাবুল আক্তার। এতে তার পাওনা ২ লাখ ১১ হাজার ৮৪০ টাকা পরিশোধের দাবি জানানো হয়। পরে কর্তৃপক্ষ ৮৮ হাজার ১২৫ টাকা পরিশোধ করলেও বাকি ১ লাখ ২৩ হাজার ৩১৫ টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, বিষয়টি আসামিদের মৌখিকভাবে জানান বাবুল আক্তার। এ সময় খুব শিগগিরই পাওনা টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয় তাকে। এরপর তিনি অপেক্ষা করতে থাকলেও আসামিরা টাকা পরিশোধে টালবাহানা করতে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২৫ জুন বিকেলে বারিধারায় একাত্তর টেলিভিশনের কার্যালয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে আসামিরা তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরবর্তীতে ফের পাওনা টাকা দাবি করলে বাবুল আক্তারকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা করেন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক এই কর্মকর্তা। মামলার পর আদালত চার আসামির বিরুদ্ধে সমন জারি করে আগামী ১৩ আগস্ট হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
এনএনবাংলা/
