সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

অভিবাসন দমন অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখ ৭৫ হাজার ভিসা বাতিল করেছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা লঙ্ঘন, জালিয়াতি, সহিংসতায় উসকানি, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিসহ বিভিন্ন কারণে এসব ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসার শর্ত লঙ্ঘন এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ভিসা বাতিলের অন্যতম কারণ। হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধের মতো কর্মকাণ্ডের জন্যও অনেকের ভিসা বাতিল করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় বলছে, ব্যাপকহারে ভিসা বাতিলের এই প্রক্রিয়া গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর শুরু হওয়া অভিবাসন দমন অভিযানেরই অংশ। এর আওতায় বৈধ ভিসাধারীসহ নজিরবিহীন সংখ্যক মানুষকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, ধারাবাহিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো—ভিসাধারীরা যেন ভিসার শর্ত মেনে চলেন এবং তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনো মার্কিন নাগরিককে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত একটি মার্কিন দূতাবাস ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ অভিযোগে ১০০টিরও বেশি দম্পতির ভিসা বাতিল করেছে। এসব দম্পতি মূলত সন্তান জন্ম দেওয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চেয়েছিলেন, যাতে তাদের সন্তান জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত ও তদন্তের কার্যক্রম ট্রাম্প প্রশাসন অব্যাহত রাখবে।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা কোনো অধিকার নয়; এটি একটি বিশেষ সুবিধা। কেউ এই সুবিধার অপব্যবহার করলে তার ভিসা বাতিলসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। সে সময়ের সংখ্যাটিকে একটি রেকর্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

সূত্র : আল জাজিরা

এনএনবাংলা/