সাম্প্রতিক
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তায় ফের বাড়ল তেলের দাম রাশিয়ায় নতুন করে ৫০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া, দাবি জেলেনস্কির হাসিনা ও হাদি হত্যার আসামিদের দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ঢাকার চাষের মাছে কাদা-কাদা গন্ধ হয় কেন, কী করলে গন্ধ থাকবে না? জুলাই-পরবর্তী সাংস্কৃতিক পরিসর: পরিবর্তনের ইঙ্গিত কোথায়? সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি সামিরা-আজিজের, দাবি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দেশে লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি, এক বছরে ৩০ বার বন্ধ রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
Skip to content

ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

গত জুলাই মাসে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো-র সম্মেলন শেষ হওয়ার পরে তুরস্ক ত্যাগের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপ্রত্যাশিতভাবে নতুন বিমান ব্যবহার না করে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হন। পরে ইংল্যান্ডের মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে নেমে আবার নতুন উড়োজাহাজে উঠে ওয়াশিংটনের পথে যাত্রা করেন।

ইরানের পক্ষ থেকে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে—এরকম সম্ভাব্য হুমকির পর জুলাই মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে ছোট একটি উড়োজাহাজে করে তুরস্ক ছাড়েন।

নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি ছিল, সেই তথ্য পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ন্যাটো সম্মেলন শেষে আঙ্কারা থেকে ট্রাম্প প্রকাশ্যে পুরোনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ উঠলেও, আসলে তিনি সেই বিমানে চড়েননি। ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্প তুরস্কে পৌঁছেছিলেন কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে। বিমানটি ভবিষ্যতে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে ব্যবহারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তুরস্ক থেকে ফেরার সময়ে সেই বিমান নিরাপত্তার কারণেই ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন সিকিউরিটি।

মার্কিন গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্প কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে পৌঁছেছিলেন। তবে পরে মার্কিন গোয়েন্দারা সম্ভাব্য হামলার তথ্য পাওয়ার পর সিক্রেট সার্ভিস তাকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ করে দেশে ফিরতে পরামর্শ দেয়।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর সিক্রেট সার্ভিস দ্রুত ট্রাম্পকে বিমান পরিবর্তনের পরামর্শ দেয়। তবে হুমকিটি নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানকে কেন্দ্র করে ছিল না। বরং ট্রাম্প এবং তিনি যে বিমানে ভ্রমণ করছিলেন, সেটিকেই লক্ষ্য করা হয়েছিল।

প্রথমদিকে হোয়াইট হাউস বিমান পরিবর্তনের ঘটনাকে একটি রুটিন সিদ্ধান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল। পরে কর্মকর্তারা জানান, এটি মূলত ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণেই করা হয়েছিল। সেই সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নতুন বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ করে দিতেই তিনি বিমান বদলেছেন। তিনি নিরাপত্তাজনিত কারণের গুঞ্জনও উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

 

এনএনবাংলা/এফএস