সাম্প্রতিক
জাফর ইকবাল-মাকসুদ কামালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মানবতাবিরোধী অপরাধ: ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুই বছরে ইলিশ উৎপাদন কমেছে ১২ শতাংশের বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ ইমরান খানের বোন আলীমা খানকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার ১৯ দিনে দেশে এলো ২৩ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী অনিয়ন্ত্রিত ব্যাটারি চালিত রিকশা: প্রয়োজন পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সরকারি নথিতে গুদামে লাখ লাখ টন, তবুও কৃষক পাচ্ছে না সার কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন, ছড়িয়ে পড়ছে পাশের বগিতেও সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা
Skip to content

মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানির ইন্তেকাল

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি ইন্তেকাল করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই তিনি মসজিদুল হারামে ফজরের আজান দিয়েছিলেন। ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম এই মসজিদে সেটিই ছিল তার জীবনের শেষ আজান।

সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস বলছে, সোমবার ভোরে শায়খ ইব্রাহিম আল-মাদানি মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’। ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ শেখ ইব্রাহিমের সোমবার ভোরে আজান দেয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগের ওই ভিডিওতে তাকে গ্র্যান্ড মসজিদে আজান দিতে দেখা যায়।এদিকে সোমবার আসরের নামাজের পর মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে শেখ ইব্রাহিম আল মাদানির জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে আল-মুয়াল্লা কবরস্থানে দাফন করা হবে। ১৯৭৬ সালে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি। ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা ইব্রাহিম তার নানার কাছ থেকে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। তার নানা কোরআনের হাফেজ ছিলেন। পরে তিনি কোরআন বিষয়ক পড়াশোনায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করেন।

মাত্র ১৫ বছর বয়সেই মুয়াজ্জিন হিসেবে তার পথচলা শুরু হয়। মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে তিনি আজান দেয়া শুরু করেন। কলেজে পড়াশোনা শেষ করা পর্যন্ত মদিনার তিন প্রতিবেশীর সঙ্গে পালাক্রমে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর মদিনার বাইরে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত হওয়ায় কিছু সময়ের জন্য আজান দেয়া থেকে বিরত ছিলেন। ১৪২৮ হিজরি অর্থাৎ ২০০৭-০৮ সালে তাকে মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আবার আজান দেয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান তিনি। ১৪৩৯ হিজরি অর্থাৎ ২০১৭-১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে গ্র্যান্ড মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শেখ ইব্রাহিম আজান দেয়ার ক্ষেত্রে মদিনার ঐতিহ্য ও নিজস্ব ধরনে গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন। তবে বাবার সঙ্গে মক্কায় যাতায়াতের সময় তিনি মক্কার বিশেষ আজানের ধরন সম্পর্কেও পরিচিত হয়ে ওঠেন। সে সময় গ্র্যান্ড মসজিদের সাবেক মুয়াজ্জিন শেখ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শেখ আবদুল লতিফ ছিলেন তার নানার বন্ধু।

এনএনবাংলা/এনজেড