সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পৌনে ২ কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্য, ফাঁসলেন জাতীয় পার্টির রাঙ্গা

 

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ থেকে ওই টাকা ঘুষ হিসেবে নেওয়ার অভিযোগে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. মশিউর রহমান রাঙ্গা কুড়িগ্রাম-২ আসনের সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

অনুসন্ধানকালে আরও দেখা গেছে, আসামি পনির উদ্দিন আহমেদ মেসার্স জলিল বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং হক স্পেশাল (পরিবহন ব্যবসা) নামের প্রতিষ্ঠানের সত্ত্বাধিকারী। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে পনির উদ্দিন আহমেদের মালিকানাধীন হক স্পেশাল হিসাব থেকে ২০ লাখ টাকা রংপুর শাখায় রাঙ্গার নামে ট্রান্সফার করা হয়। এরপর সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের কুড়িগ্রাম শাখা থেকে তিনি রাঙ্গার সংসদ ভবন শাখায় ২০১৮ সালের নভেম্বরে চার দফায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা জমা দেন।

মোটভাবে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ঘুষ হিসেবে প্রদত্ত এই অর্থ বিভিন্ন স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এই কর্মকাণ্ড দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। এই কারণে রাঙ্গা ও পনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।

একই সঙ্গে, মো. মশিউর রহমান রাঙ্গার বিরুদ্ধে সন্দেহভাজন সম্পদের তথ্য পাওয়ায় তা যাচাই-বাছাই করার জন্য দুদক আইন, ২০০৪ এর ২৬(১) ধারায় তার নামে সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

এনএনবাংলা/পিএইচ