ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজের দিকে তাজা গোলারু ধ্বংসমন্ত্রের মহড়া দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) রোববার থেকে দুইদিনব্যাপী এই মহড়া শুরু করবে।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ ও আধুনিক রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন মোতায়েন হওয়ার পরই ইরান এই মহড়ার আয়োজন করছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনকে উত্তেজনা বাড়ানো ও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
ইরানের ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সতর্কবার্তা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, যদি ইরান ঝুঁকিপূর্ণ কোনো মহড়া দেয়—যেমন, যুদ্ধজাহাজের খুব কাছ দিয়ে বিমান বা ড্রোন চালানো বা তাদের নৌবাহিনীর স্পিডবোট পাঠানো—তাহলে তা সহ্য করা হবে না।
গত এক মাস ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। মার্কিনিরা ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সমর্থনকে অজুহাত দেখিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, দেশটিকে তাদের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। তিনি বলেছেন, যদি সময়মতো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাতে পারে
ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির জবাবে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, তাদের ওপর যে কোনো হামলা—ছোট বা বড়—হোক না কেন, এর জবাবে তারা তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী প্রতিহিংসা নেবে।
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করবে এবং মিসাইলের আঘাত করার সক্ষমতাও সীমিত করবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি শুক্রবার বলেছেন, তারা কখনোই তাদের মিসাইল ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক নীতিমালা নিয়ে কোনো আলোচনা করবে না।
সূত্র: আলজাজিরা
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ