Skip to content

কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে একযোগে ইরানের হামলা

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে বুধবার (১০ জুন) সকালে কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। খবর সিএনএনের।

আইআরজিসির দাবি, জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সরাসরি হামলা চালানো হয়েছে। তবে জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে।

জর্ডানের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান থেকে আজরাক অঞ্চলের দিকে আসা পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বিভিন্ন স্থানে পড়লেও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহর ‘ফিফথ ফ্লিট’কে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। একই সময়ে কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কসংকেত (সাইরেন) বাজানো হয়। কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা শত্রুপক্ষের আকাশযান প্রতিহত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন, বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে অন্তত চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং একাধিক ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান।

অন্যদিকে আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মোট ২১টি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করেছে।

এ ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করে হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সর্বশেষ এই হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এনএনবাংলা/