সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ভারতে আন্দোলন

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেই আন্দোলন শেষ নয়! বাকি আরও ৩ দাবি

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরও আন্দোলন থামছে না। বরং নতুন করে একাধিক দাবি সামনে এনেছে ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)। সংগঠনটির দাবি, শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগে দায় শেষ হয় না; প্রশ্নফাঁস এবং আন্দোলন ঘিরে ঘটে যাওয়া সব ঘটনারও সুষ্ঠু জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির সভাপতি অভিজিৎ দিপকে বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, তাদের পরিবার কি এক রুপিও ক্ষতিপূরণ পাবে না? প্রতিটি পরিবারকে এক কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

তিনি আরও দাবি করেন, ২০ জুলাই আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ২০ জুলাই এবং এর পরবর্তী সময়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান তিনি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি জানায়, আন্দোলন দমনে ভূমিকার জন্য দিল্লি পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সকে (আরএএফ) প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।

উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় আগে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরে প্রশ্নফাঁস, বেকারত্ব, সরকারি জবাবদিহি এবং কর্মসংস্থানের মতো বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে আরও বিস্তৃত রূপ নেয়।

গত ২০ জুলাই সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়। ওই ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর থেকেই আন্দোলন আরও বেগবান হয়ে ওঠে এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নতুন মাত্রা পায়।

এনএনবাংলা/