সাম্প্রতিক
বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারাল প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি, আহত নারীর মৃত্যু নেপালে বন্যার ৯ দিন পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেল থেকে ২ শ্রমিক জীবিত উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২% শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ডিম-সবজির বাজারে অস্বস্তি, বেড়েছে সয়াবিন তেল-মাছ-মুরগির দাম বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল করল মালয়েশিয়া ২ হাজার আইফোনসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার লংমার্চ সরকার উৎখাতের আন্দোলন নয়, শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি: পরওয়ার বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ২৩ বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী আটক উত্তমকুমার শুধু জনপ্রিয় নন, তিনি বাঙালির মনের নায়ক: জয়া আহসান ‘সংখ্যালঘু’ নয়, বাংলাদেশি পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Skip to content

ইউনিসেফের জরিপ

এক বছরে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের শিকার ২ কোটি শিশু

ছবি: ইন্টারনেট

বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এক বছরে ২১টি দেশের প্রায় দুই কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশু অনলাইনে যৌন নিপীড়ন বা শোষণের শিকার হয়েছে। এসব ঘটনার প্রায় ৬০ শতাংশই ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। খবর রয়টার্সের।

২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ২১টি দেশে পরিচালিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিনিধিত্বশীল জরিপের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষণাটি করা হয়েছে। এতে প্রায় ২১ হাজার ইন্টারনেট ব্যবহারকারী শিশু অংশ নেয়। কেনিয়া, পাকিস্তান, ব্রাজিল ও সার্বিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিশুদের তথ্য এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে প্রায় দুই কোটি শিশু যে যৌন নিপীড়ন বা শোষণের শিকার হয়েছে, সেটি কোন বছরের ঘটনার হিসাব—তা প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট করে জানায়নি ইউনিসেফ।

ইউনিসেফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও পূর্ব ইউরোপের ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে প্রতি পাঁচজনে একজনের বেশি অনলাইনে অন্তত এক ধরনের যৌন নিপীড়নের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া দেশগুলোতে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ শিশু অনিচ্ছাকৃতভাবে সংবেদনশীল যৌন কনটেন্টের মুখোমুখি হয়েছে। এছাড়া প্রায় ৯০ লাখ শিশুকে যৌন বিষয়ক কথোপকথনে যুক্ত হতে কিংবা ব্যক্তিগত ছবি পাঠাতে চাপ দেওয়া হয়েছে।

ইউনিসেফ জানিয়েছে, অনলাইনে শিশুদের যৌন নিপীড়নের প্রায় ৬০ শতাংশ ঘটনাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটেছে। এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রায় ১৪ শতাংশ ঘটনা ঘটেছে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি অনলাইন গেমিংয়েও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতিবেদনটির বিষয়ে ফেসবুকের প্যারেন্ট কোম্পানি মেটা জানিয়েছে, ২০২০ সালের পর শিশুদের সুরক্ষায় বেশ কিছু ব্যবস্থা চালু করেছে তারা। এসব ব্যবস্থার মধ্যে কিশোরদের অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যক্তিগত রাখা এবং অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে বার্তা গ্রহণ ঠেকানোর মতো পদক্ষেপ রয়েছে।

এনএনবাংলা/