সাম্প্রতিক
ফ্রান্সের বিক্ষোভে ভাইরাল ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগান, কেন এত আলোচনা? ১৩ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে ফ্লাইট চালু করছে বিমান রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা সাজেকে কাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ প্রতিমা বিসর্জনে বিদায় দেবী দুর্গার, বিষাদে শেষ শারদীয় দুর্গোৎসব সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: পৃথক অভিযোগে গ্রেপ্তার, কনস্যুলেটের চিঠিতে নতুন তথ্য জিম্বাবুয়ের পর আফগানিস্তানের কাছে হেরে বিদায় বাংলাদেশের ভারতে বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্ত চায় জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা জ্বালানি সংকটে চাপে পোশাকশিল্প, ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা
Skip to content

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। এতে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার মধ্যে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও আছে। এ কারণে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে। এ সময় নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও নেপালের বাড়তি বিদ্যুৎ থাকে। যা রপ্তানি করা হয়। গত ২৬ আগস্টের বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অনুমোদিত চিলিম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ত্রিশূলী জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে দুটি প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে বিকল্প কোনো প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভারতীয় গ্রিডের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানোর সুযোগ দিতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি করা হচ্ছিল ভারতের সঞ্চালন গ্রিড ব্যবহার করে। এর বিনিময়ে মার্কিন ডলারে মূল্য পরিশোধ করা হয়।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভোটেকোশি নদীর আকস্মিক বন্যার পর নেপালের বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দেশটির বিদ্যুৎ রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

আকস্মিক বন্যার পর একাধিক জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ রপ্তানিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল যেখানে গড়ে প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করছিল, বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫০ মেগাওয়াটে।

এনএনবাংলা/এফএস