সাম্প্রতিক
‘নাইন ইলেভেন’-যে দিনের পর বদলে গেছে মুসলিমদের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে সাধারণ মানুষ আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের এক ইউনিট বন্ধ, দেশে বাড়ল লোডশেডিং গুলশানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে মিছিল; ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ২ ভারতের সঙ্গে হাসিনার ১০১ চুক্তিতে ‘দেশের স্বার্থ’ খুঁজছে সরকার: চিফ হুইপ এইচ-১বি ভিসায় ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের উদ্যোগ ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম দেশে অক্টোবরে শুরু হচ্ছে স্মার্টফোন উৎপাদন, পাওয়া যাবে ২–৩ হাজার টাকায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

গ্যাস সংকট সামাল দিতে চার জাহাজ এলএনজি কিনছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চার জাহাজ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য আন্তর্জাতিক তিনটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, চার জাহাজ এলএনজি সরবরাহ করবে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর, বিপি সিঙ্গাপুর ও ভিটল এশিয়া।

এর মধ্যে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম প্রস্তাব করেছে ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার। একই প্রতিষ্ঠান আরেকটি জাহাজের জন্য দর দিয়েছে ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।

অন্যদিকে, বিপি সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দর দিয়েছে ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। আর ভিটল এশিয়া একটি জাহাজের জন্য দর দিয়েছে ২৬ দশমিক ৬৬ ডলার।

অর্থাৎ, চার জাহাজের মধ্যে সর্বোচ্চ দর পড়েছে বিপি সিঙ্গাপুরের প্রস্তাবে—প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। আর সর্বনিম্ন দর দিয়েছে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর—২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ক্রয়বিধিমালা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে এসব এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে।

দেশে গ্যাসের সরবরাহ-সংকটের কারণে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আমদানি করা এলএনজির মাধ্যমে গ্যাসের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে সরকার।

এনএনবাংলা/