সাম্প্রতিক
হরমুজ প্রণালি বন্ধের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম নেপালের মানবিক সংকটে বাংলাদেশের ১ মিলিয়ন ডলার অনুদান আমানত ফেরত পেতে প্রথম দিনেই ১৮ হাজার আবেদন, পুরো টাকা চান ২,৩৬৭ গ্রাহক আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নতি হবে: সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ছয় মাসে দুই লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার খবর নাকচ করল মালয়েশিয়া তনু হত্যা মামলায় দুই সাবেক সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ লিটনের নেতৃত্বে এশিয়ান গেমস খেলবে বাংলাদেশ সারাদেশে বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে: র‍্যাব মহাপরিচালক গ্যাস সংকট সামাল দিতে চার জাহাজ এলএনজি কিনছে সরকার
Skip to content

গ্যাস সংকট সামাল দিতে চার জাহাজ এলএনজি কিনছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চার জাহাজ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য আন্তর্জাতিক তিনটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, চার জাহাজ এলএনজি সরবরাহ করবে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর, বিপি সিঙ্গাপুর ও ভিটল এশিয়া।

এর মধ্যে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম প্রস্তাব করেছে ২৭ দশমিক ৫৪ মার্কিন ডলার। একই প্রতিষ্ঠান আরেকটি জাহাজের জন্য দর দিয়েছে ২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।

অন্যদিকে, বিপি সিঙ্গাপুর একটি জাহাজের জন্য প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দর দিয়েছে ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। আর ভিটল এশিয়া একটি জাহাজের জন্য দর দিয়েছে ২৬ দশমিক ৬৬ ডলার।

অর্থাৎ, চার জাহাজের মধ্যে সর্বোচ্চ দর পড়েছে বিপি সিঙ্গাপুরের প্রস্তাবে—প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ দশমিক ০৩ ডলার। আর সর্বনিম্ন দর দিয়েছে আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর—২৩ দশমিক ৯৮ ডলার।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ক্রয়বিধিমালা অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে এসব এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে।

দেশে গ্যাসের সরবরাহ-সংকটের কারণে বর্তমানে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় উৎপাদন সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে আমদানি করা এলএনজির মাধ্যমে গ্যাসের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করছে সরকার।

এনএনবাংলা/