সাম্প্রতিক
কলকাতায় বাংলাদেশি রোগী কমতেই নতুন উদ্যোগ, লিয়াজোঁ টিম পাঠাচ্ছে হাসপাতালগুলো বিদেশ ভ্রমণে বছরে খরচ করা যাবে ১৮ হাজার ডলার দিল্লিতে ৬ তলা মেসবাড়ি ধসে নিহত ১, অর্ধশত শিক্ষার্থীর আটকা পড়ার শঙ্কা ‘কল্পনার ভেতর এখনও দেখা হয়, কথা হয়’—সালমান শাহকে নিয়ে মৌসুমী জানুয়ারিতে বিশ্ব ইজতেমা ঘিরে ফের বিশৃঙ্খলার শঙ্কা, অনুমোদন পায়নি সাদপন্থিরা আজও ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বললেন —‘ভয়াবহ রূপ নিতে পারে’ দেশে মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ, ‘ম্যাচ পাতানোর শঙ্কা’ ডিসেম্বরে দেশে ফেরা হচ্ছে না শেখ হাসিনার
Skip to content

পরমাণু শক্তিধর হতে চাইলে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে হবে, সৌদিকে ট্রাম্পের শর্ত

ছবি: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

এক দিন আগেই ট্রাম্প প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার বরাতে সিএনএন জানায়, সৌদি আরবকে বেসামরিক পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তার জন্য একটি চুক্তি অনুমোদন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সেই চুক্তি কার্যকর করতে নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প বলেছেন, সৌদি আরবকে অবশ্যই ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়ে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিতে হবে, তবেই চুক্তিটি বাস্তবায়ন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘বেসামরিক পারমাণবিক চুক্তি (যেখানে কোনো ধরনের সমৃদ্ধকরণ বা এনরিচমেন্ট থাকবে না) অনুমোদন করা হবে। তবে এটি পুরোপুরি নির্ভর করছে সৌদি আরবের আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার ওপর।’

ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এ ধরনের চুক্তি ভবিষ্যতে পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিল পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নিরাপত্তা কৌশলকে আরও জটিল করে তুলেছে।

অন্যদিকে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা ইসরায়েলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে গাজা যুদ্ধ এবং ফিলিস্তিন ইস্যুর কারণে রিয়াদ এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে এগোয়নি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম অ্যাকর্ডস স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও বাহরাইন ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। পরে সুদান ও মরক্কোও একই পথে হাঁটে।

মার্কিন প্রশাসনের আশা, সৌদি আরবও যদি আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও আরব বিশ্বের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ায় নতুন গতি আসবে। তবে সৌদি নেতৃত্ব বারবার জানিয়েছে, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা ছাড়া ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রশ্নে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না।

এনএনবাংলা/