সাম্প্রতিক
সাজেকে অবরোধ-গুলিবর্ষণ, সেনাবাহিনীর সহায়তায় নিরাপদে ফিরলেন ৩ হাজার পর্যটক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে টোকিও থাকবেন না রাষ্ট্রদূত, ফেরানো হলো ঢাকায় মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের দেশে সাইবার হামলা নিয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি আগামী ১০ বছরেও শেখ হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার অবৈধ মোবাইল ফোনে রাজস্ব ফাঁকি, এনইআইআর চালু করছে বিটিআরসি কক্সবাজারে সাগরে নেমে নিখোঁজ আরও এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যু বেড়ে ৫ দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমানের সব ফ্লাইট আবারও স্থগিত ৪৩০ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার অবিশ্বাস্য জয়, শেষ বলে রেকর্ড সৌদি কারাগারে দণ্ডপ্রাপ্ত আরও ২০ বাংলাদেশি, শাস্তির তথ্য চাইল বাংলাদেশ
Skip to content

ককরোচ জনতা পার্টির ‘জেন-জি’ বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, নিরাপত্তা জোরদার

ছবি : সংগৃহীত

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’।

শনিবার সকালে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

ঘটনার সূত্রপাত গত ১৫ মে। সেদিন ভারতের প্রধান বিচারপতি সুরিয়া কান্ত এক বক্তব্যে দেশটির বেকার যুবকদের ‘সমাজের পরজীবী’ ও ‘তেলাপোকা’ বলে উল্লেখ করেন। তার ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পরদিনই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কৌশলবিদ অভিজিত দিপকে।

শুরুর দিকে দলটির কার্যক্রম মূলত অনলাইনভিত্তিক ছিল। রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট প্রকাশের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ ছিল। তবে এবার প্রথমবারের মতো মাঠপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বিক্ষোভে নামে সংগঠনটি।

দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগে অভিজিত দিপকে ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতে এসে একটি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেবেন। তার নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচির প্রধান দাবি ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। এনইইটি (ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্র্যান্স টেস্ট) পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসসহ নানা অনিয়ম ও ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটির অভিযোগে এই দাবি উত্থাপিত হয়েছে।

এদিকে শিক্ষা সংস্কার ও পরিবেশবিষয়ক অধিকারকর্মী সোনাম ওয়াংচুকও বিক্ষোভের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, ৫ জুনের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে তিনিও অভিজিত দিপকের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেবেন।

বিক্ষোভস্থলে সমর্থকদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে অভিজিত দিপকে বলেন, “বন্ধুরা, এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রাম। গত এক মাস ধরে আমরা সামাজিক মাধ্যমে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু তারা এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা এবং পোস্ট মুছে দেওয়ার দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। তারা হয়তো আমাদের পোস্ট মুছে ফেলতে পারবে, কিন্তু আমাদের অস্তিত্ব মুছে ফেলতে পারবে না।”

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, নয়াদিল্লির জন্তর মন্তর এলাকায় শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে জোরালো স্লোগান দিচ্ছেন।

এনএনবাংলা/পিএইচ