সাম্প্রতিক
‘তিন নম্বর জন ডান’, পরীমণির কোলে থাকা নবজাতক নিয়ে জল্পনা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, সিফাতের জামিন নামঞ্জুর বিরামপুর সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করলো বিজিবি-গ্রামবাসী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজের বাইরেও ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিল ইরান সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার আরও ৪ ঢাকায় আজ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তার বদলি বিদেশ ভ্রমণ: ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন নির্দেশনা বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ১০ হাজার বাংলাদেশির
Skip to content

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২

ছবি সংগৃহীত

দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩২ জন শিশুর শরীরে এই রোগের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হামবিষয়ক বুলেটিন ও প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক দিনে মারা যাওয়া ৩ শিশুর মধ্যে ২ জন ঢাকা বিভাগের এবং ১ জন সিলেট বিভাগের বাসিন্দা। নতুন আক্রান্ত ১ হাজার ৩২ জনকে নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ৭৭ হাজার ৭৯১ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৩ হাজার ১৩৪ শিশু। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৮ হাজার ৯৬৪ জন।

এদিকে, একই সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে ৯ হাজার ৬২০ শিশুর শরীরে হাম রোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

হামের এই ব্যাপক বিস্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫২২ শিশু। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হওয়ার পর নিশ্চিতভাবে মৃত্যুবরণ করেছে আরও ৯১ জন।

সব মিলিয়ে গত আড়াই মাসে হাম ও হামের উপসর্গজনিত কারণে দেশে মোট ৬১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি হামের উপসর্গ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাঠপর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ