ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিবকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। বুধবার (১৮ মার্চ) ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ ও সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়।
তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে সোমবার রাতে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলী লারিজানি এবং বাসিজ বাহিনীর প্রধানকে হত্যার দাবি ওঠে। সেই ধারাবাহিকতায় খাতিবের মৃত্যুকে ইরানের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতের শুরু থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
২০২১ সালের আগস্ট থেকে ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন খাতিব। তখন দেশটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইব্রাহিম রাইসি।
পরবর্তীতে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় রাইসি নিহত হলে নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ক্ষমতায় এসেও খাতিবকে পদে বহাল রাখেন—যা সাধারণ রাজনৈতিক রীতির বাইরে একটি সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
খাতিবকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হতো। বিশ্লেষকদের মতে, তিনি কট্টরপন্থী অবস্থানের কারণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের তুলনামূলক উদার নীতিগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন।
এদিকে ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ বলেছেন, দুই ফ্রন্টে চলমান এই যুদ্ধ—ইরান ও হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে—আরও তীব্র হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, সামনে আরও “বিস্ময়কর” ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
ইসরাইলি সামরিক সূত্রগুলোর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই তারা একাধিক শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছে।
ইসরাইলের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি ইরানি নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ