সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

ছবি: এএফপি

 

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ইরান একাধিক ধাপে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার সময় তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সাইরেন বেজে ওঠে। রাজধানী তেল আবিবে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়। তবে ক্ষয়ক্ষতি সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে হয়েছে, নাকি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে হয়েছে—তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস জানায়, তেল আবিবের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া বেসামরিকদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়। পাশাপাশি আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের আশ্রয়কেন্দ্র থেকেও সাধারণ নাগরিকদের উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে সোমবার ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান তেহরানে কেন্দ্রস্থলে ব্যাপক হামলা চালায়। এতে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC)-এর গোয়েন্দা শাখা এবং ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এছাড়া রাতভর ৫০টির বেশি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, যার মধ্যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রও ছিল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনার কারণে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। নিজ মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু না হলে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হতে পারে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে অভিযান শুরুর পর থেকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এনএনবাংলা/