রাজনীতি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে ভবিষ্যতে আবারও গণঅভ্যুত্থান হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, এ ধরনের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে পারে জেনারেশন জেড (জেনজি)।
গতকাল শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে নেপালের বিলিয়নিয়ার ও সিজি-কর্প গ্লোবালের চেয়ারম্যান বিনোদ কে চৌধুরীর লেখা ‘মেড ইন নেপাল: লেসনস ইন বিজনেস বিল্ডিং ফ্রম দ্য ল্যান্ড অব এভারেস্ট’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
মন্ত্রী বলেন, দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাতে হলে ভালো রাজনীতি ও শক্তিশালী অর্থনীতি অপরিহার্য। এই দুইয়ের সম্পর্ক পরস্পর নির্ভরশীল—একটি ছাড়া অন্যটি টেকসই হতে পারে না। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতি ও অর্থনীতির দুর্বলতার কারণেই বৈষম্য বাড়ে এবং মানুষ বাধ্য হয়ে রাজপথে নামে। বাংলাদেশ ও নেপাল এর সাম্প্রতিক উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় প্রয়োজন কাঠামোগত পরিবর্তন। তা না হলে নতুন প্রজন্ম, বিশেষ করে জেনজি, আবারও পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলনে নামতে পারে।
একই অনুষ্ঠানে বিনোদ কে চৌধুরী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান অনেক সময় দেশের ভাগ্য নির্ধারণ করে। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা জরুরি। তিনি বাংলাদেশ, নেপাল ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
গত তিন দশকে বাংলাদেশ-নেপাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে এগোয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে সম্প্রতি নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু হওয়াকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখেন। ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ