সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

জ্বালানি তেলের দাম ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কা

 

হরমুজ প্রণালিতে চলমান অচলাবস্থা ও সরবরাহ বিঘ্নের পরিস্থিতি যদি আগামী মে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান।

প্রতিষ্ঠানটির এক বিশেষ নোটে উল্লেখ করা হয়েছে, নিকট ভবিষ্যতেই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ থেকে ১৩০ ডলারে পৌঁছানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।

জেপি মরগানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তাদের মূল ধারণা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির বর্তমান সংকট শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। তবে সেই সমাধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সংকট ও মজুত হ্রাসের কারণে বাজারে দামের চাপ অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ জুন মাস পর্যন্ত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকতে পারে। বছরের শেষার্ধে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে এবং প্রণালীটি আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলে দাম আবার কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে জেপি মরগান একটি বড় ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছে। তাদের মতে, তেলের উচ্চমূল্য কতদিন স্থায়ী হয়, তার ওপর বৈশ্বিক অর্থনীতির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে। যদি দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম উচ্চমাত্রায় থাকে, তাহলে বিশ্বব্যাপী পণ্য ও সেবার চাহিদা মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত বৈশ্বিক মন্দার ঝুঁকি তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার থেকেই আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুধু উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যই নয়, বরং উন্নত বিশ্বের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্যও বড় ধরনের ধাক্কা হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স।

এনএনবাংলা/পিএইচ