সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

দেশে এলএসডি প্রবেশ করায় নতুন শঙ্কা দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দীর্ঘদিন ধরে দেশে মাদকদ্রব্য ইয়াবার আগ্রাসন চলছেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর অবস্থানের মধ্যেও ঠেকানো যাচ্ছেনা ইয়াবা। দেশে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিলসহ নানা ধরনের মাদকের ব্যবহার রয়েছে, যেগুলো রোধ করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে বিদেশি নতুন ধরনের দামি মাদক এলএসডি প্রবেশ করায় নতুন শঙ্কা দেখা দিয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে।

তবে আতঙ্কের বিষয় হচ্ছে, ভয়াবহ এই মাদকসহ যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের একজন প্রায় এক বছর ধরে এলএসডির সঙ্গে পরিচিত। নিজে ব্যবহারের পাশাপাশি এলএসডি নিতে উদ্বুদ্ধ করেছেন বন্ধুদেরও। এরইমধ্যে বন্ধুরা মিলে ফেসবুকে গ্রুপ খুলে এলএসডি বিক্রির তথ্যও পাওয়া গেছে। শনাক্ত হওয়া একটি ফেসবুক গ্রুপেই সদস্য সংখ্যা প্রায় এক হাজার।

বুধবার (২৬ মে) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি ও লালমাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে এলএসডিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে ডিবি রমনা বিভাগ। এসময় তাদের কাছ থেকে ২০০ ব্লট এলএসডি উদ্ধার করা হয়, যার মূল্য আনুমানিক ছয় লাখ টাকা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, ২০১৯ সালে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মাধ্যমে দেশে এলএসডি বেচাকেনার বিষয়টি জানতে পারে অধিদপ্তরের গোয়েন্দা বিভাগ। প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পারেন, গুলশান, উত্তরা ও কাফরুল এলাকায় এলএসডি ব্যবহার হচ্ছে। এর গ্রাহক উচ্চবিত্ত পরিবারের মাদকাসক্ত সন্তানরা। একটি ‘ক্লোজ গ্রুপের’ মাধ্যমে ওই মাদক কেনাবেচা হয়। এর পরই এই গ্রুপের সদস্য হন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। ২০১৯ সালের ১৪ জুলাই রাতে কাফরুল এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে পাঁচ মিলিগ্রাম তরল এলএসডি জব্দ করে ডিএনসির ঢাকা গোয়েন্দা বিভাগ। ৪৬টি এলএসডি স্ট্রিপও জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় দুই তরুণ ইয়াসের রিদওয়ান আনান ও সৈয়দ আহনাদ আতিফ মাহমুদকে। তখন তাদের বয়স ২০ বছর। তাদের বিরুদ্ধে ১৫ জুলাই কাফরুল থানায় মামলা হয়। মামলার বাদী হয়েছিলেন ডিএনসির গোয়েন্দা বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক ফজলুল হক খান। মামলাটি তদন্ত করেন পর্যায়ক্রমে দু’জন কর্মকর্তা।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, এলএসডি এখনো ব্যাপকভাবে ছড়ায়নি। এটি যেহেতু দেশে একেবারেই নতুন তাই আমরা এটির চাহিদা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। গ্রেফতারদের ফেসবুক গ্রুপটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাদেরই এই মাদকের সঙ্গে যে কোনোভাবে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।