সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার ছিল মাত্র ৩ উইকেট, আর পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল আরও ১২১ রান। পঞ্চম দিনের সকালে অবশ্য পাকিস্তান দারুণভাবে লড়াই শুরু করায় কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশ শিবিরে—বিশ্বরেকর্ড গড়ে ম্যাচটা বের করে নেয় কি না! তবে সেই আশঙ্কা বেশিক্ষণ টেকেনি। মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে শেষ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ৭৮ রানের জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। সঙ্গে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে গড়ে নতুন ইতিহাসও।

বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে এটি বিশেষ এক অর্জন। এখন পর্যন্ত ৮৩টি টেস্ট সিরিজ খেললেও কোনো প্রতিপক্ষকে একাধিকবার হোয়াইটওয়াশ করতে পারেনি টাইগাররা। এমনকি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও নয়। কিন্তু পাকিস্তানকেই সেই ইতিহাসের অংশ বানিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালেও পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করল তারা।

তবে দিনের শুরুতে ম্যাচের চিত্র দেখে এমন ফল অনুমান করা কঠিন ছিল। মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সাজিদ খান দারুণ দৃঢ়তায় ব্যাট করছিলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের বোলারদের প্রথম এক ঘণ্টার নিষ্প্রভ বোলিং পাকিস্তানের আশা আরও বাড়িয়ে দেয়। সুযোগ এসেছিলও। নাহিদ রানার বাউন্সার পুল করতে গিয়ে সাজিদ বল তুলে দিয়েছিলেন আকাশে, কিন্তু লিটন দাস ও তাইজুল ইসলামের মাঝখানে পড়ে বেঁচে যান তিনি।

যখন শঙ্কা বাড়ছিল, তখনই সামনে আসেন তাইজুল ইসলাম। পুরো সিরিজজুড়েই ব্যাট ও বল হাতে দলকে বিপদ থেকে টেনে তুলেছেন তিনি, শেষ দিনেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তার বল ডিফেন্ড করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন সাজিদ খান। ৫৪ রানের জুটি ভাঙতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।

এরপর জয়ের অপেক্ষা ছিল খুব অল্প সময়ের। মাত্র ১১ বলের মধ্যেই শরিফুল ইসলামের বলে বিদায় নেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। পরে তাইজুলকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দেন খুররম শেহজাদ। আর তাতেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এবং সবকিছুই গড়া হয়ে যায় একসঙ্গে।

এনএনবাংলা/পিএইচ