Skip to content

রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ের এ তারিখ ধার্য করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। পরে ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ওই অপরাধে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার তথ্যমতে, গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় প্রধান আসামি সোহেল রানা। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্না আক্তারকে হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত চলাকালে গত ২১ মে সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানো হয়।

রামিসার পরিবার পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত। তার বাবা বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। একই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এনএনবাংলা/পিএইচ