সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের ডেথ রেফারেন্স (মামলার যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিচারিক আদালত থেকে এসব নথি হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে গত রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা অনুযায়ী আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এ দণ্ড কার্যকরের কথা উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া আসামি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালত নির্দেশ দেন, জরিমানার এই অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনি উত্তরাধিকারীদের প্রদান করতে হবে।

জরিমানার অর্থ অনাদায়ে সংশ্লিষ্ট কালেক্টরেট অফিসকে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে তা বিক্রির মাধ্যমে অর্থ আদায় করে রামিসার উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ২৮ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করার সুযোগ পাবেন।

ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গত ২৫ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি বিচারের জন্য সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২ জুন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয় এবং একই দিনে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করা হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় প্রধান আসামি সোহেল রানা। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্না খাতুনকে হেফাজতে নেয় এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ২১ মে আসামি সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রামিসার বাবা পরিবারের সঙ্গে পল্লবীর সেকশন-১১-এর ব্লক-বি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন এবং বনানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। নিহত রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এনএনবাংলা/পিএইচ