সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। ফাইল ছবি

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া কারণ দর্শানোর জবাবে সন্তুষ্ট নয় সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১০ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ নোটিশের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, সেখানে বেশ কিছু তথ্য অস্পষ্ট রয়ে গেছে। এ কারণে সরকার ওই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। একই সঙ্গে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেটিও শিগগির নির্ধারণ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ভোরে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ত্রুটি, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির বিষয় উঠে আসে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না। সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও ছিল অপ্রতুল।

এছাড়া ঘটনার সময় ওয়ার্ডে কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। নবজাতকদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও জরুরি সেবা নিশ্চিত করা হয়নি।

তদন্তে আরও বলা হয়, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক ছিল এবং তাদের বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজন হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে অবস্থার অবনতি ঘটলেও যথাযথ তদারকি ও চিকিৎসাসেবার ঘাটতি ছিল।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। হাসপাতালের জবাব পাওয়ার পর এখন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এনএনবাংলা/পিএইচ