সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যু ৯০০ ছাড়াল

ছবি: সংগৃহীত

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৭৯৮ শিশুর শরীরে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০২।

শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ৮ শিশুর কারও মৃত্যুই নিশ্চিতভাবে হামের কারণে হয়েছে বলে শনাক্ত করা হয়নি। ফলে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০৩। অন্যদিকে, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ৯০২-এ পৌঁছেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭০ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছে আরও ৭২৮ শিশু। সব মিলিয়ে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৮ শিশু।

এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭০০ শিশু। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৪৯ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭৭৬। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭ হাজার ৮০০ জনের।

এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৯৪ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯ জন।

এনএনবাংলা/