



ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ পেয়ে স্বপ্নের ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করলেও সেই যাত্রা শেষ পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে থামছে না অনেক শিক্ষার্থীর। গত পাঁচটি শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বাতিল করে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গিয়েছেন মোট ২৪৩ জন শিক্ষার্থী। ফলে প্রতিবছরই বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য থাকছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন, যা ক্লাস শুরু হওয়ার পর আর পূরণ করা সম্ভব হয় না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের একাডেমিক শাখা হতে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিগত পাঁচটি শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি বাতিল করেছেন মোট ২৪৩ জন। এরমধ্যে সর্বোচ্চ ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বাতিল করেছেন মোট ৭৭ জন। সবচেয়ে কম ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ২৫ জন। এছাড়া ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৪৩ জন, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ৪৭ জন এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৫১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করেছেন।
আরও জানা যায়, ২৪৩ জন ভর্তি বাতিলকারী শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছে বিজ্ঞান অনুষদে এবং সর্বনিম্ন ২ জন করেছে আইন অনুষদে। এছাড়াও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ৭১, ব্যবসায় শিক্ষা ৩৩, প্রকৌশল অনুষদে ২৩ এবং কলা ও মানবিক অনুষদে ভর্তি বাতিল করেছে ১৭ জন শিক্ষার্থী।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ এর ভর্তি বাতিলের সংখ্যা ছিল ২৫ থেকে; যা ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৩। যেখানে বৃদ্ধির হার প্রায় ৭২ শতাংশ। এছাড়া ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি বাতিল করেছেন ৪৩ জন। ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে বেড়ে তা দাঁড়ায় ৭৭ জনে। আগের বছরের তুলনায় এখানে প্রায় ৭৯ শতাংশ ভর্তি বাতিলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।
আবার ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সংখ্যাটা কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৭ জন। অর্থাৎ ২০২২-২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৩৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। যা কিছুটা স্বস্তির হলেও পুনরায় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫১ জনে। ফলে এখানে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের তুলনায় প্রায় ৮.৫ শতাংশ বৃদ্ধি ঘটেছে।
আরও জানা যায়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত অর্থনীতি বিভাগে ১জন, লোক প্রশাসন বিভাগে ২জন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ১জন, নৃবিজ্ঞান বিভাগে ২ জন, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে ৩ জন এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ইংরেজি বিভাগে ১ জন ভর্তি বাতিল করেন।
এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত মার্কেটিং বিভাগে ১ জন, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগে ১ জন এবং হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে ১ জন ভর্তি বাতিল করেন। তাছাড়াও বিজ্ঞান অনুষদের গণিত বিভাগে ৩ জন, রসায়ন বিভাগে ৪ জন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৩ জন, এবং ফার্মেসী বিভাগে ১ জন। প্রকৌশল অনুষদের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগে ১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করেছেন।
আবার, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে সর্বোচ্চ ১৮ জন। যেখানে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ৮ জন, নৃবিজ্ঞানে ৪ জন, লোক প্রশাসন বিভাগে ২জন, প্রত্নতত্ত্বে ২ জন, অর্থনীতিতে ২জন, এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞান অনুষদের ১৪ জনের মধ্যে গণিত বিভাগে ৪ জন, পদার্থবিজ্ঞানে ৫ জন, ফার্মেসীতে ৪ জন এবং পরিসংখ্যানে ১ জন।
এ ছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ৬ জনের মধ্যে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে ২ জন এবং ফিন্যান্সে ৪ জন। প্রকৌশল অনুষদভুক্ত আইসিটি বিভাগে এবং সিএসই বিভাগে রয়েছে ১ জন করে। কলা ও মানবিক অনুষদভুক্ত ইংরেজি বিভাগে ভর্তি বাতিল করেছেন ৩ জন।
পরবর্তী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মোট ৭৭ জনের মধ্যে শুধু বিজ্ঞান অনুষদেরই ৩০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করেছেন। এর মধ্যে গণিতে এবং পরিসংখ্যানে ৮ জন, ফার্মেসীতে ৭ জন, রসায়নে ৪ জন এবং পদার্থবিজ্ঞানে ৩ জন করে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ২২ জনের মধ্যে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, প্রত্নতত্ত্বে ও নৃবিজ্ঞানে ৬ জন এবং অর্থনীতিতে ৩ জন, লোক প্রশাসন বিভাগে রয়েছে ১ জন করে।
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ১০ জনের মধ্যে, একাউন্টিং এবং ফিন্যান্সে ৪ জন, মার্কেটিংয়ে ২ জন করে। এছাড়া কলা ও মানবিক অনুষদের ৪ জনের মধ্যে ইংরেজিতে ৩ জন এবং বাংলায় ১ জন করে, প্রকৌশল অনুষদভুক্ত সিএসইতে ৮ জন, আইসিটিতে ৩ জন ভর্তি বাতিল করেছেন।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মোট ৪৭ জনের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের পরিসংখ্যানে ৬ জন, গণিতে ৫ জন, রসায়নে ৩ জন, পদার্থবিজ্ঞানে ২ জন এবং ফার্মেসীতে ১ জন নিয়ে মোট ১৭ জন। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১০ জনের মধ্যে নৃবিজ্ঞানে ৩ জন, অর্থনীতি, লোক প্রশাসন এবং প্রত্নতত্ত্বে ২ জন করে এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় ১ জন করে। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ১০ জনের মধ্যে মার্কেটিং বিভাগে ৫ জন, একাউন্টিং এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষায় ২ জন করে এবং ফিন্যান্সে ১ জন।
এ ছাড়া কলা ও মানবিক অনুষদের ইংরেজিতে ২ জন। প্রকৌশল অনুষদের ৭ জনের মধ্যে আইসিটিতে ৫ জন এবং সিএসইতে তিনজন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করেছেন।
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মোট ৫১ জনের মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ৮ জন, ফার্মেসীতে ৭ জন করে, গণিতে ৪ জন এবং পরিসংখ্যান ও রসায়নে ৩ জন করে মোট ২৫ জন। এছাড়া সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ১২ জনের মধ্যে লোক প্রশাসন, প্রত্নতত্ত্ব ও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় ৩ জন, নৃবিজ্ঞানে ২ জন এবং অর্থনীতিতে ১ জন।
এছাড়াও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ৪ জনের মধ্যে ব্যবস্থাপনায় ২ জন এবং একাউন্টিং ও মার্কেটিং বিভাগে ১ জন করে। কলা ও মানবিক অনুষদের ৭ জনের মধ্যে ইংরেজিতে ৫ জন, বাংলায় ২ জন, আইন অনুষদভুক্ত আইন বিভাগে ২ জন, প্রকৌশল অনুষদের আইসিটিতে বিভাগে ১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করেছেন।
ভর্তি বাতিল করে অন্যত্র চলে যাওয়া কিছু শিক্ষার্থীর সাথে প্রতিবেদকের কথা হয়। জানা যায়, অনেক শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও পরবর্তীতে পছন্দের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়ে ভর্তি বাতিল করেন। এছাড়া ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও আর্থিক বিভিন্ন কারণেও অনেকে ভর্তি বাতিল করে থাকেন বলে জানান তারা।
এছাড়া বাড়ির কাছের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার ইচ্ছা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও টিউশন সুবিধা, পছন্দের বিষয়ে ভর্তি হওয়া, চাকরির প্রস্তুতি, সঠিক গাইডলাইন এবং সেশনজট ইত্যাদি কারণে শিক্ষার্থীরা ভর্তি বাতিল করেন বলে জানান তারা।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া মোঃ সোহেল রানা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়ার কারণ হিসেবে জানিয়েছেন, ‘প্রধানত ঢাকায় থাকার ইচ্ছা, টিউশন ও যাতায়াত সুযোগ সুবিধা, পছন্দের বিষয় না পাওয়া এবং ঢাকায় চাকরির প্রস্তুতির বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠানের সাথে এনগেজড থাকার সুবিধার কারণে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি।’
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তি বাতিল করে শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শহীদ জামান বলেন, ‘সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আমার বাসা থেকে কাছে হওয়ায় যাতায়াত সুবিধা এবং প্রতিষ্ঠানটির অধিক সুনামের কারণে আমি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার প্রথম পছন্দের বিষয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ ছেড়ে এখানে চলে এসেছি।’
বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আরেক শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌসী প্রিয়া বলেন, ‘আমার বাসা দূরে হওয়ায় বাসার কাছের ইউনিভার্সিটিতে চলে এসেছি। যেন যে কোনো প্রয়োজনে দ্রুত বাসায় যেতে পারি। আমার বাসা সিলেট অঞ্চলে হওয়ায়, এখানে এসেছি। কারণ আমার সবকিছু সিলেট কেন্দ্রিক। সিলেট অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষের ইচ্ছা থাকে বিদেশে চলে যাওয়া, এইখানে আইইএলটিএস-এর খুব ভালো ভালো প্রতিষ্ঠান রয়েছে।’
এদিকে ঢাকায় পড়াশোনা পরিবেশ, টিউশন সুবিধা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, চাকরির বাজারের বাড়তি সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে কুবি থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পাড়ি জমিয়েছেন নাঈমুর রহমান।
তিনি জানান, ‘আমার দীর্ঘ মেয়াদি লক্ষ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সাথে ঢাকায় অবস্থান করা বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো এবং অনেক বেশি নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে। এ কারণে সেকেন্ড টাইম দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি।’
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চিরাচরিত’ সেশনজট, পছন্দের বিষয়ে পড়তে চাওয়া, নিজের পরিচিত শহরে জীবন গুছানোর লক্ষ্যে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ওয়েস্টে ভর্তি হয়েছেন মাঈশা মোবাশ্বিরা হোসেন।
তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকায় জন্মেছি এবং বড় হয়েছি, তাই অন্য শহরে গিয়ে মানিয়ে নিতে চাইনি। আমি হেলথ সায়েন্স–সংক্রান্ত বিষয় যেমন বায়োটেক, মাইক্রোবায়োলজি, ফার্মেসি— এসবে পড়তে চেয়েছিলাম। এছাড়া সেশনজটও রয়েছে, আর আমি দ্রুত প্রফেশনাল জীবনে প্রবেশ করে উপার্জন করতে চাই। তাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে সেশনজটের ঝামেলায় পড়তে চাইনি।’
এদিকে ক্রমাগত প্রতিটি শিক্ষাবর্ষেই ভর্তি বাতিলের সংখ্যা রয়েই যাচ্ছে। আবার এসব আসনে ভর্তি নেওয়ারও সুযোগ থাকে না প্রশাসনের। এনিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভর্তি বাতিলের ফলে সৃষ্ট শূন্যতা পরবর্তী সময়ে সব ক্ষেত্রে পূরণ করা সম্ভব হয় না। ফলে প্রতি শিক্ষাবর্ষেই কিছু আসন অপূর্ণ থেকে যায়। যদিও পুনঃভর্তির মাধ্যমে কিছু শিক্ষার্থী আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে আসেন, তবুও ভর্তি বাতিল ও আসন শূন্য থাকার প্রবণতা পুরোপুরি কমছে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোঃ মোশাররফ হোসাইন বলেন, ‘সেকেন্ড টাইমের থাকায় শিক্ষার্থীদের কাছে সুযোগ থাকছে ভালো অপশন বেছে নেওয়ার। আবার সেকেন্ড টাইমের কারণে ২০২২-২৩ শিক্ষার্থী ৯০ জন পুনঃভর্তি হয়েছে, ফলে ঐ শিক্ষাবর্ষে ৯০ জনকে ছাড়াই ঐ ব্যাচটি অ্যাডভান্স হয়েছে। বিজ্ঞান ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীর অনেকেই সেকেন্ড টাইম দিয়ে থাকে। আবার অনেকে নৈকট্যতার কারণে বাড়ির কাছের বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যায়।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ দপ্তরের পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘বেটার অপশন পেলে শিক্ষার্থীরা সে সুযোগটা নিবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সুযোগ সুবিধা নেই। যদি থাকত তাহলে ভর্তি বাতিলের সংখ্যাটা কমে যেত।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরীর বলেন, ‘ভর্তি বাতিল প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নিয়মিত কাজের অংশ। কিন্তু এটা যদি অতিমাত্রায় হয়ে থাকে তাহলে এটা আমাদের জন্য ভাববার বিষয়। ভর্তি বাতিলের কারণে বেশ কিছু আসন খালি থাকে। ক্লাস পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর সেই আসনগুলো আর পূরণ করা সম্ভব হয় না।’
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, ‘ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দের কারণে অনেকেই ভর্তি বাতিল করে চলে যায়। আর এমন পর্যায়ে চলে যায়, তখন তো নতুন করে আর ভর্তি নেওয়ার সুযোগ থাকে না। যদি শিক্ষাবর্ষ চলমান থাকতেই চলে যেত তাহলে আমাদের সুযোগ থাকত নতুন করে ভর্তি নেওয়ার। আবার সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম ভর্তি বাতিল হয়ে থাকে।’
Tags: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন