সাম্প্রতিক
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে দিল্লি যাওয়ার পর আশিয়ানের নজরুলের ব্যাগে মিলল ৩১ রাউন্ড গুলি বিএনপির ৪৮ বছরে মহাসচিব যারা, কে কতদিন দায়িত্বে ছিলেন ঋণের চাপে সরকারি বেতন দেওয়াও কঠিন হতে পারে: বিদ্যুৎমন্ত্রী গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে না পারলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ বিভক্ত হয়ে অস্তিত্ব সংকটে মুসলিম ব্রাদারহুড, নেতৃত্বে তীব্র কোন্দল ভারতের জায়গায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ! সংগ্রাম, ত্যাগ ও মানুষের ভালোবাসায় অমর এক জীবন ধানমন্ডি ৩২-এ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ভিডিও ধারণ ও শিঙাড়া বিলির অভিযোগে মারধর, আটক ২ হরমুজ প্রণালিকে শিগগিরই মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করা হবে: ট্রাম্প রাজধানীর কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নেই গ্যাস, চালকদের ভোগান্তি
Skip to content

রাজধানীর কোনো সিএনজি ফিলিং স্টেশনে নেই গ্যাস, চালকদের ভোগান্তি

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট। কোথাও গ্যাস নেই, আবার কোথাও গ্যাস থাকলেও পর্যাপ্ত প্রেসার না থাকায় গাড়িতে স্বাভাবিক পরিমাণ জ্বালানি নেওয়া যাচ্ছে না। আর যেসব স্টেশনে কিছুটা গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দেখা দিয়েছে দীর্ঘ গাড়ির সারি। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তীব্র রোদে ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজি চালিত গাড়ির চালকরা।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর প্রগতি সরণি সড়কের আবুল হোটেল থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

আবুল হোটেল থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত সড়কের পাশে রয়েছে চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন। এর মধ্যে দুটি স্টেশনে গ্যাস নেই। আরেকটিতে পর্যাপ্ত প্রেসার নেই। বাকি একটি স্টেশনে গ্যাস থাকলেও প্রেসার স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম।

চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জ্বালানি সংগ্রহে কয়েক গুণ বেশি সময় লাগছে। কোনো স্টেশনে গ্যাস না থাকায় সেখানে গিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। আবার কোথাও গ্যাস থাকলেও কম প্রেসারের কারণে সিলিন্ডারে স্বাভাবিক পরিমাণ গ্যাস ঢুকছে না। ফলে দুই-তিনটি ট্রিপ দেওয়ার পরই আবার গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের।

হাজীপাড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে গ্যাস রয়েছে। তবে প্রেসার স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই কম। এরপরও গ্যাস নেওয়ার আশায় প্রাইভেটকার ও সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ সারি গিয়ে ঠেকেছে রামপুরার মোল্লা টাওয়ারের কাছে। তীব্র রোদের মধ্যে কেউ গাড়ির ভেতরে বসে, আবার কেউ বাইরে দাঁড়িয়ে গ্যাসের অপেক্ষা করছেন।

স্টেশনটির কর্মীরা জানান, শুক্রবার তাদের স্টেশনে গ্যাসের প্রেসার ছিল ‘১৮০ বার’। শনিবার তা বেড়ে ‘১৯০ বার’ হয়েছে। তারপরও দুটি নোজল বন্ধ রয়েছে। বাকি দুটি নোজল দিয়ে গাড়িতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। তবে এই প্রেসারও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম বলে জানান তারা।

এদিকে মেরুল বাড্ডার কাছে থাকা জামান সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ‘গ্যাস নেই’ লেখা সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইভাবে মধ্য বাড্ডা মোড়ে থাকা সিটিজেন সিএনজি অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ফিলিং স্টেশনেও ‘গ্যাস নেই’ বলে সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ উত্তর বাড্ডার মক্কা সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গাড়িগুলো সিরিয়াল ধরে দাঁড়িয়ে আছে। তবে কোনো গাড়িতেই গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। স্টেশন কর্মীরা জানান, সেখানে গ্যাসের প্রেসার মাত্র ‘১২০ বার’। এই প্রেসারে গাড়িতে গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

গ্যাসের সংকটে রাজধানীর সিএনজি চালকরা এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনে ছুটছেন। কোথাও গ্যাস না পাওয়া, কোথাও কম প্রেসার এবং কোথাও দীর্ঘ লাইনের কারণে দিনের বড় একটি সময় জ্বালানি সংগ্রহেই চলে যাচ্ছে তাদের।

এনএনবাংলা/