Skip to content

Upcoming
Norway
0-0
England
Source: ESPN

আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

তবে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কী প্রক্রিয়ায় এবং কাদের সমন্বয়ে গঠিত হবে, সে বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বিষয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল থাকার প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কয়েকটি বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং গণভোটের বিধান ফিরে এসেছে বলে মত দিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকরা জানতে চান, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে কি না। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ইনশাল্লাহ, ইনশাল্লাহ। এটি আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।’

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিএনপির আন্দোলনেরই ফসল। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে আন্দোলন হয়েছিল, তার ফল হিসেবেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই ধারণা থেকেই পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হওয়া হয়েছিল।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে বিএনপিই জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন করেছিল।

তিনি দাবি করেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছর ধরে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে এসেছে। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ স্লোগান নিয়ে পরিচালিত সেই আন্দোলনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’—এই নীতিকে বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প কোনো পথ ছিল না। সেই অবস্থানেই আমরা রাজনৈতিকভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এনএনবাংলা/