সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর আমুত্যু কারাদন্ড

জেলা প্রতিনিধি, গাইবান্ধা :
গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আলমগীর মন্ডলকে (২৫) আমৃত্যু কারাদন্ড ও একলাখ টাকা জরিমানা আনদায়ে তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আলমগীর মন্ডল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আলমগীরের বাড়ি সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দীঘলকান্তি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আবদুল আবদুল জোব্বার মন্ডলের ছেলে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি মো. ফারুক আহম্মেদ প্রিন্স। তিনি বলেন, এই মামলায় তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, দক্ষিণ দীঘলকান্তি গ্রামের জাহানারা বেগম, আবদুল জোব্বার মন্ডল ও জাকির মন্ডল।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালে আলমগীর মন্ডলের সঙ্গে একই ইউনিয়নের উত্তর দীঘলকান্দি গ্রামের শুক্কুর আলীর মোল্যার মেয়ে সুমি আক্তারের (২০) বিয়ে হয়। তিনি এক সন্তানের মা। এদিকে বিয়ের পর থেকে নানা কারণ দেখিয়ে আলমগীর স্ত্রীর উপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। ২০১৬ সালের ১৮ জুন তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমগীর তাঁর স্ত্রীকে মারধর করে। পরদিন সুমি আক্তার বাবার বাড়িতে চলে যান।
একই সালের ২১ জুন আলমগীর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে শশুড় বাড়ি যান। ওইদিন রাত সাড়ে আটটার দিকে স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। একইদিন গভীর রাতে স্ত্রী সুমিকে কানসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে বেধরক মারধর করেন। ফলে ঘটনাস্থলেই তার মুত্যু হয়। এই ঘটনায় নিহতের বাবা শুক্কুর আলীর মোল্যা বাদী হয়ে পরদিন ২২ জুন সাঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আলমগীর মন্ডলসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অপর তিনজন আসামি হলেন, জাহানারা বেগম, আবদুল জোব্বার মন্ডল ও জাকির মন্ডল। মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীর মন্ডলকে এই সাজা দেন আদালত। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আবু আলা সিদ্দিকুল ইসলাম রিপু।