সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

দাগনভূঞার নেয়াজপুর স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি, ফেনী :
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার নেয়াজপুর মকবুল আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মইন উদ্দীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতিসহ নানা অভিযোগ ওঠেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দেন।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, প্রধান শিক্ষক মইন উদ্দীন চৌধুরী পুরো স্কুলটিকে নিজের একক সম্পত্তি মনে করেন। ফর্মফিলাপে বাড়তি ফি আদায়। রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও আইডি কার্ড করার কথা বলে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৪’শ টাকা করে আদায় করেন। কিন্তু তিনি অদ্যাবধি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় বা আইডি কার্ড কোনটাই করেননি। ফর্মফিলাপের সময় প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৩’শ টাকা করে বাড়তি ফি আদায় করেছেন বলেও জানান শিক্ষার্থীরা।
বিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা জানান, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের নিয়মে বিদ্যালয় পরিচালনা করেন। তিনি তার অপছন্দের কাউকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিতে আসতে দেননা। কেউ নির্বাচিত হয়ে আসতে চাইলে তিনি মামলা করে কমিটি স্ট্রে করে রাখেন। অন্য শিক্ষকরাও তার কাছে জিম্মি হয়ে আছে। ২০২১ সালে প্রধান শিক্ষক সম্পূর্ণ অবৈধভাবে আর্থিক দূর্নীতির মাধ্যমে স্কুলে ৩ জন শিক্ষক নিয়োগ দেন। তারা হলেন, নুরুল আলম খাঁন, আব্দুর রশীদ ও বাবুল দাস। এদের মধ্যে নুরুল আলম খাঁন ২০০৫ সালে স্কুলে ৮’শ টাকা বেতনে কম্পিউটার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালের পর থেকে তিনি আর স্কুলে কোন প্রকার ক্লাশ নেননি। ১১ বছর স্কুলে ক্লাশ না করিয়ে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ২০২১ সালে প্রধান শিক্ষক নুরুল আলম খাঁনের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে তার নামে এমপিও করেন। এ নিয়ে অন্যান্য শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে চাইলে তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে চুপ করিয়ে দেন। এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মইন উদ্দীন চৌধুরী জানান, তিনি বোন অনিয়মের সাথে জড়িত নেই।
প্রধান শিক্ষক মইন উদ্দীনের এসব অনিয়মের বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কি না জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজিজুল হক বলেন, প্রধান শিক্ষকের অনিয়মের বিষয়ে, কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে ফেনী জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ ওঠেছে তা তদন্তের জন্য দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।