সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

এমপি মুর্শেদীর দখল করা বাড়ি উদ্ধারে সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় হাইকোটের রুল জারি

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুস সালাম মুর্শেদীর অবৈধ দখল থেকে একটি বাড়ি মুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা নিয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার জনস্বার্থে করা একটি রিটের শুনানিতে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

রুলে রাজধানীর গুলশানের পরিত্যক্ত বাড়িটি আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুস সালাম মুর্শেদীর কাছে বরাদ্দ সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব এবং খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুর্শেদীকে হলফনামায় ১০ দিনের মধ্যে কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানিকালে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

আগামী ১৩ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রিটকারী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, গুলশানের পরিত্যক্ত বাড়িটি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তি হলেও খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য রাজউকের সহায়তায় তা অবৈধভাবে দখল করেছেন।

এর তদন্ত চেয়ে গত ৩০ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রিট আবেদন করেন।

পিটিশন অনুযায়ী, গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর রোডের ২৯ নম্বর বাড়িটি ১৯৮৬ সালে সরকার পরিত্যক্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

মুর্শেদীর বাড়িটি অবৈধ দখলের ব্যাখ্যা চেয়ে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক রাজউকে পাঠানো তিনটি চিঠি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল।

রাজউক চেয়ারম্যান চিঠির জবাব না দেয়ায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়।

—-ইউএনবি